সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের ৫২ হাজার কেজি ফেব্রিক্স ও ৫২৫ মেশিনের হদিস নেই

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৮, ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের ৫২ হাজার কেজি ফেব্রিক্স ও ৫২৫ মেশিনের হদিস নেই

উইলিয়ামস সোয়েটার্স লিমিটেডের আমদানি করা ৫২ হাজার ৭৮৫ কেজি ওভেন ফেব্রিক্সের হদিস পাওয়া যায়নি। একই প্রতিষ্ঠানের সিপিসি সুবিধায় আমদানি করা ৫২৫টি মেশিনারিজও কারখানায় স্থাপিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি। এসব ঘটনায় প্রাথমিকভাবে প্রায় ১৩ কোটি ৫২ লাখ টাকার রাজস্ব জড়িত বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভবনে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রিজভী আহমেদ।

ইইউর বাজারে পোশাক রপ্তানি প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ

তিনি জানান, উইলিয়ামস সোয়েটার্সের আমদানি করা ওভেন ফেব্রিক্সের বিপরীতে কোনো রপ্তানির রেকর্ড দেখাতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। অধিদপ্তরের প্রাথমিক হিসাবে, এসব ফেব্রিক্সের বিপরীতে এক কোটি ৯৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫৯ টাকার রাজস্ব জড়িত।

এছাড়া ২০২৩ সালে সিপিসি সুবিধায় আমদানি করা ৫২৫টি মেশিনারিজের একটিও কারখানায় স্থাপিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি। এসব মেশিনারিজের বিপরীতে প্রাথমিকভাবে প্রায় ১১ কোটি ৫৬ লাখ ৬৪ হাজার টাকার রাজস্ব জড়িত বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর। 

তিনি বলেন, অধিদপ্তরের অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠানটির বন্ড ও বিনা মূল্যে (ফ্রি অব কস্ট বা এফওসি) আমদানি করা কাঁচামালের ব্যবহার, সংরক্ষণ এবং রপ্তানিসংক্রান্ত কার্যক্রমেও বিভিন্ন অসংগতি পাওয়া গেছে। আমদানি করা কাঁচামাল নির্ধারিত উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রমে ব্যবহার না করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করার অভিযোগও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।  

উদ্যোক্তা হতে ঋণ চান সাড়ে ১৮ হাজার তরুণ, আবেদন বেশি নেত্রকোনায়

এনবিআর জানায়, সরেজমিন অনুসন্ধানে বন্ড রেজিস্টার পরিদর্শনস্থলে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া আমদানি-রপ্তানির তথ্য দিতে ব্যর্থ হওয়া এবং আমদানি করা কাঁচামালের প্রকৃত অবস্থান ও ব্যবহার সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য না পাওয়ার মতো অসংগতি শনাক্ত করা হয়েছে।  

সংস্থাটি জানায়, বন্ড সুবিধার অপব্যবহার ও লাইসেন্সের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগও রয়েছে উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠানটি সাবকন্ট্রাকটিংয়ের কথা বললেও এ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও নথিপত্র পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

এম/আই

Link copied!