স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একটি সাংবিধানিক সংশোধনী আনতে চাই; যে সংশোধনীকে অনেকে সংস্কার বলতে পারেন। তারা সংস্কার বলে যদি তুষ্ট থাকেন, আমাদের আপত্তি নেই কিন্তু তারা এই সংবিধান সংশোধনীতে বিরোধী দল হিসেবে সহযোগিতা এখনো পর্যন্ত করছে না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা শুনেছি গতকাল, বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন তারা সরকারকে সহযোগিতা করবেন না। ১৮ কোটি জনগণকে সহযোগিতা করবেন। ১৮ কোটি জনগণকে সহযোগিতা করুন, এটাই আমরা চাই। বিরোধীদল হিসেবে গঠনমূলক সমালোচনা এবং সরকারের ভুল-ত্রুটি ধরে দেবেন, এটাই আমরা চাই। কিন্তু রাস্তার বক্তব্য এবং সাংবিধানিক সংস্কারে আপনাদের যে অবদান, দুটোর মধ্যে মিল থাকতে হবে।’
সরকার জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চায় উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘সেই বিনির্মাণের জন্য আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন, বাস্তবায়ন করে চলেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘শহীদের সকল আকাঙ্ক্ষা আমাদের সেই পরিকল্পনার অংশ।’
একাত্তর পরবর্তী সময়ে বারবার স্বৈরাচারের উত্থান-পতন হয়েছে, গণতান্ত্রিক আন্দোলন হয়েছে। বারে বারে বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে আমরা সেই গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সফল হয়েছি, বলেন সালাহউদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘সর্বশেষ ২০২৪-এ বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনা ও অনুপ্রেরণায় এবং আমাদের নেতা তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশনা-পরিচালনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আমরা জয়ী হয়েছি। জনতার জয় হয়েছে।’
‘আমরা সেই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, আদর্শ, অনুপ্রেরণাকে সারাজীবন ধারণ করতে চাই। এভাবেই আমরা আমাদের পথ চলবো। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়িত হবে। তার বাইরেও সমস্ত জনআকাঙ্ক্ষাগুলোকে একত্রিত করে সাংবিধানিক, আইনি, প্রগতিশীল ও অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সেটা আমরা ধারণ করব,’ যোগ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও একবার প্রমাণ করলেন জুলাই আমাদের অন্তরে প্রোথিত, যোগ করেন সালাহউদ্দিন।
