`২০ লাখ শিশু নেই সরকারের খাতায়` দেশ রূপান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, জন্মের পর একটি শিশুর প্রথম সরকারি পরিচয় তৈরি হয় জন্ম নিবন্ধনের মাধ্যমে। অথচ পথে থাকা বিপুলসংখ্যক শিশুর জন্মের তথ্যই নেই সরকারের খাতায়। এই সংখ্যা অন্তত ২০ লাখ।
পরিচয় ও বয়সের প্রমাণ থেকে শুরু করে শিক্ষা, চিকিৎসা, সামাজিক সুরক্ষা ও বিভিন্ন নাগরিক সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও এতে তৈরি হয় নানা বাধা।
এতে শিশুরা ধীরে ধীরে ছিনতাই, মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিসহ নানা গ্রুপের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। সম্প্রতি পুলিশের প্রতিবেদনেও রাজধানীর কিশোর গ্যাংয়ের বেশিরভাগ সদস্যকে ভাসমান বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তাদের অনেকে ফুটপাত ও বস্তিতে থাকে। পরিবার ও শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্নতাই তাদের অপরাধের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
ইউনিসেফের ২০২৪ সালের গবেষণায়ও পথ-সংযুক্ত শিশুদের সংগঠিত অপরাধী চক্রে ব্যবহারের চিত্র উঠে এসেছে।
মাদক বিক্রি, চাঁদাবাজি ও দখলসহ বিভিন্ন অপরাধে এসব চক্র শিশুদের কাজে লাগায়। ফলে জন্ম নিবন্ধনহীন ও রাষ্ট্রীয় সেবার বাইরে থাকা শিশুরা একদিকে নাগরিক পরিচয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে তাদের ঠেলে দেওয়া হচ্ছে আরও বড় ঝুঁকির দিকে।
ইউনিসেফের ওই গবেষণায় দেশে অভিভাবকের যত্ন সরকারের খাতায় ছাড়া `স্ট্রিট সিচুয়েশনে` থাকা শিশুর সংখ্যা ৩৪ লাখের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আর কারিতাস বাংলাদেশের ২০২৫ সালের জরিপে বলা হয়েছে, ৫৮ দশমিক ২ শতাংশের জন্ম নিবন্ধন নেই।
এই দুটি জরিপের ফল বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়, দেশে অন্তত প্রায় ১৯ লাখ ৭২ হাজার শিশুর জন্ম নিবন্ধন নেই। বর্তমানে এর প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
`রমজানের আগেই তিন ধাপের ইউপি নির্বাচন` আজকের পত্রিকা।
খবরে বলা হচ্ছে, আগামী বছর পবিত্র রমজান মাস শুরুর আগেই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) তিন ধাপের নির্বাচন করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এর মধ্যে জানুয়ারিতে দুই ধাপের এবং ফেব্রুয়ারিতে এক ধাপের নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা ইসির। এই তিন ধাপে দুই হাজারের বেশি ইউপির নির্বাচন করা হতে পারে।
ইউপির পাশাপাশি জানুয়ারিতে এক ধাপের পৌরসভা নির্বাচন করার কথাও ভাবছে ইসি।
ইসির একাধিক সূত্র বলছে, প্রাথমিকভাবে আগামী বছরের তেসরা জানুয়ারি প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে তা থেকে সরে গিয়ে জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের বৃহস্পতিবার প্রথম ধাপের নির্বাচন করার কথা ভাবা হচ্ছে।
এরপর চতুর্থ সপ্তাহে দ্বিতীয় ধাপের ও এবং ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তথা পবিত্র রমজানের আগে তৃতীয় ধাপের ভোট করতে চায় ইসি।
প্রতি ধাপে ৭০০-৮০০ ইউপির নির্বাচন করার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশে চার হাজার ৫৮০টি ইউপি রয়েছে।
জানতে চাইলে গতকাল সোমবার মানে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মন্ত্রী মাছউদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, রমজানের আগেই তিন ধাপের নির্বাচন করার বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা যায়। এসব ধাপে আনুমানিক দুই হাজার ইউপিতে কও নির্বাচন হবে, সংখ্যাটি ২০০-এর কমবেশি হতে পারে।
গত সেপ্টেম্বরে প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে ইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন হবে। প্রথম ধাপের সম্ভাব্য ভোটের তারিখ ১২ই নভেম্বর। এরপর সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, যোগাযোগ ছাড়াই নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে ইসি। এই অবস্থায় পিছু হটে ইসি।
`নির্দেশিকা উপেক্ষিত, ভয়ংকর রূপে ডেঙ্গু` সমকালের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, কীটতত্ত্ববিদদের বারবার সতর্কতা এবং মশা নিয়ন্ত্রণে জাতীয় নির্দেশিকা থাকার পরও কার্যকর হচ্ছে না ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম। রাজধানীসহ দেশের সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে নির্দেশিকা অনুযায়ী মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে না।
ফলে সেপ্টেম্বর পেরিয়ে অক্টোবরেও ভয়ংকর রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু পরিস্থিতি। গতকাল সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা গেছেন আরও ৯ জন। চলতি বছর এক দিনে এটাই সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৯০২ জন।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে নতুন করে প্রায় ৩০০ শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো সরকারি হাসপাতাল ডেঙ্গু রোগীকে ফিরিয়ে দিতে পারবে না। কোনো হাসপাতালে শয্যা না থাকলে রোগীকে নির্ধারিত অন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
মশক নিয়ন্ত্রণে ২০২১ সালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে `ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে জাতীয় নির্দেশিকা` প্রণয়ন করা হয়। এরপর রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের জন্য প্রণয়ন করা হয় `মশক নিধন স্থায়ী নির্দেশিকা`।
দুই নির্দেশিকাতেই মশক নিয়ন্ত্রণে করণীয়, মশককর্মী, তদারককারীসহ সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। জাতীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিবছর ১৫ই জানুয়ারির মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ের তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী ছয় মাসের মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করার কথা।
`জন্মসনদে ভুল, পদে পদে ভোগান্তি` প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, কানিজ ফাতেমার ১১ বছর বয়সী ছেলে রাজধানীর একটি স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে, এবার বৃত্তি পরীক্ষা দেবে। পরীক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে গত মাসে স্কুল থেকে বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই জন্মনিবন্ধন সনদ চাওয়া হয়।
তিনি ২০১৫ সালে ছেলের জন্মসনদ নিয়েছিলেন শুধু ইংরেজিতে। ফলে দুই ভাষাতেই সনদ পেতে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধনের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখেন, অদ্ভুত শব্দে বাংলা নাম লেখা-`কজ`। তাঁর স্বামীর নাম `লক্ জ্ ক্।`
গত রোববার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-৪ কার্যালয়ে (মিরপুর-১০) গিয়ে দেখা যায়, সেখানেও নামবিভ্রাটের মধ্যে পড়ে সংশোধনের জন্য এসেছেন কয়েকজন।
মিজানুর রহমান নামের একজন এসেছিলেন আরেকজনের জন্মসনদ সংশোধনের জন্য। সেখানে আবেদনকারীর মায়ের নাম শাহানার জায়গায় লেখা `দতককা`।
নাছির আহম্মেদ বেলাল নামের একজন জানান, তাঁর বড় মেয়ের ক্ষেত্রে ইংরেজি নামে ভুল এসেছে। তার ও তার স্ত্রীর নামের জায়গায় এসেছে `LJKLJF`। ভুক্তভোগীরা জানান, নামের এমন ভুল তার করেননি, নিবন্ধন কার্যালয় থেকেই হয়েছে।
এই প্রতিবেদন তৈরিতে যে আটজনের সঙ্গে কথা হয়েছে, তাদের জন্মসনদ ২০২০ সালের আগে করা। নিবন্ধন কার্যালয় থেকে করা ভুল সংশোধনের ভার ভুক্তভোগী নাগরিকের ওপর পড়েছে।
`বিমান যেন উড়ন্ত চোরাই সোনা` কালের কণ্ঠের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের মানচিত্রে ছুটে আসা উড়োজাহাজগুলো হয়ে উঠেছে অবৈধ সোনার বাহন। এই `সোনালি` কারবারে কারা জড়িত, বহুদিনের সেই রহস্য ভেদ করতে মাঝেমধ্যেই জেগে ওঠেন গোয়েন্দারা।
কিন্তু তাঁদের চমকে দিয়ে কারবারিরাও ধরছে নতুন নতুন কৌশল। ফলে একের পর এক বড় চালান ধরা পড়লেও থামানো যাচ্ছে না সোনা চোরাচালানের গতি।
দেশে নতুন সোনার বার্ষিক চাহিদা যেখানে আনুমানিক ১৮ থেকে ৩৬ টন, সেখানে শুধু ব্যাগেজ রুলসের সুবিধায় বৈধভাবে আসছে এর চেয়ে বেশি।
২০২২ সালে এক বছরেই এভাবে দেশে ঢুকেছিল ৫৪ টন সোনা। এর বাইরে বিমানবন্দরগুলোতে নিয়মিত ধরা পড়ছে অবৈধ চালান। আবার অবৈধ সোনার বড় অংশই থেকে যাচ্ছে নজরদারির বাইরে।
বৈধ বা অবৈধ পথে দেশে আসা সোনার একটি বড় অংশ চলে যাচ্ছে সীমান্তের ওপারে, বিশেষ করে ভারতে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও শুল্কসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার তদন্তেও বাংলাদেশকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে ভারতে সোনা পাচারের তথ্য উঠে এসেছে।
জানা গেছে, দেশটিতে ব্যাগেজ রুলসে সোনা আনায় কড়াকড়ি থাকায় বাংলাদেশ হয়ে উঠেছে চোরাচালানের অনিবার্য রুট। যশোর, সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল দিয়ে নিয়মিতই সীমান্ত পাড়ি দিচ্ছে অবৈধ কারবারের সোনার চালান।
``আইকাও` অডিট সামনে রেখে নিরাপত্তা নিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে বেবিচক` বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একাধিক নিরাপত্তা স্তর পেরিয়ে ৩১ রাউন্ড তাজা গুলিভর্তি একটি ব্যাগ বিমানে দিল্লি চলে যায়। ঘটনাটি গত ১৬ই জুলাইয়ের।
ঢাকায় দুই দফা নিরাপত্তা স্ক্যানিংয়ে শনাক্ত হয়নি এ গোলাবারুদ। দিল্লি বিমানবন্দরে ধরা পড়ার পরই বিষয়টি জানাজানি হয়।
শনাক্তহীন অবস্থায় বিমানবন্দর থেকে গুলি পার হওয়ার ঘটনা তদন্তে দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। একটি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের, অন্যটি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তর থেকে। গুলিভর্তি ব্যাগ বিমানবন্দরের চেকিং পয়েন্ট পার হওয়ার ঘটনায় দুই স্ক্রিনারের দায়িত্বে গাফিলতি পায় তদন্ত কমিটি।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে দুই স্ক্রিনিং অপারেটরকে শাস্তির আওতায় আনার জন্য বেবিচক সদর দপ্তরে লিখিতভাবে সুপারিশ করা হয়েছে। আলোচিত এ ঘটনার পর বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এমন এক ঘটনার কিছুদিন পর সামনে আসছে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) নিরাপত্তা অডিট। ২৬ অক্টোবর থেকে আগামী ৬ই নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে ইউনিভার্সাল সিকিউরিটি অডিট প্রোগ্রাম—কন্টিনিউয়াস মনিটরিং অ্যাপ্রোচ অডিট হওয়ার কথা রয়েছে।
এতে বেবিচকের সদর দপ্তর, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বিমান নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা ও বাস্তবায়ন কাঠামো খতিয়ে দেখা হবে।
দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম `300 days on, BCS recruits still await appointments` অর্থাৎ `৩০০ দিন পার হলেও বিসিএস নিয়োগপ্রাপ্তরা এখনো নিয়োগের অপেক্ষায়`।
খবরে বলা হচ্ছে, ৩০০ দিনেরও বেশি আগে, ৪৫তম বিসিএস পরীক্ষার সব ধাপ সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে কাঙ্ক্ষিত প্রশাসনিক ক্যাডারে নিয়োগের যোগ্যতা অর্জন করেন সাকিব (ছদ্মনাম)। এরপর প্রতিদিন সকালে বিছানা থেকে ওঠার আগে ফোন হাতে নিয়ে ৪৫তম বিসিএস প্রার্থীদের গ্রুপ দেখেন, খবর পড়েন এবং অপেক্ষা করেন।
এমন একটি আপডেটের জন্য যা শেষ পর্যন্ত তার জীবন বদলে দিতে পারে, নিয়োগের গেজেট।
২০২২ সালের নভেম্বরে ৪৫তম বিসিএস নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২০২৩ সালের মে মাসে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা এবং ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
২০২৫ সালের ৮ই জুলাই থেকে পর্যায়ক্রমে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি কর্ম কমিশন ২০২৫ সালের ২৬শে নভেম্বর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করে এবং বিভিন্ন ক্যাডারে ১,৮০৭ জন প্রার্থীকে সুপারিশ করে।
চূড়ান্ত সুপারশিরে ১০ মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সরকার এখনো নিয়োগ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করেনি।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনবলের ঘাটতি ও শূন্যপদ সিভিল বা সরকারি আমলাতন্ত্রের জন্য গুরুতর সমস্যা। এই প্রেক্ষাপটে তাদের মতে, চূড়ান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকারের এত দীর্ঘ সময় নেওয়া উচিত নয়।
`Farmers in further stress after fuel price hike` অর্থাৎ `জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় কৃষক আরও চাপে` নিউ এইজের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, সারাদেশে সেচ, কৃষি যন্ত্রপাতি, কৃষি উপকরণ ও পরিবহনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বৃদ্ধির বিষয়টি আগে থেকেই সংকটের মুখে থাকা কৃষকদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।
কৃষিকাজে সেচ ও পরিবহনের জন্য বহুল ব্যবহৃত ডিজেলের দাম গত ২১শে সেপ্টেম্বর লিটারপ্রতি ১১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার।
সিন্ডিকেটের কারণে সার, বীজ ও সেচের পানির উচ্চমূল্য এবং কৃষিপণ্যের বৈষম্যমূলক বিক্রয়মূল্যের মতো পরিস্থিতির মধ্যেই ডিজেলের দাম বাড়ানো হলো।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কারণে খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা এমনিতেই চাপের মুখে রয়েছে। ডিজেলের দাম বৃদ্ধি সেই পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।
উত্তরাঞ্চলের বিশেষ করে খরাপ্রবণ এলাকার ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীল কৃষকেরা দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন। কারণ সেচ, জমি প্রস্তুত, ফসল কাটা ও মাড়াইয়ের কাজে ডিজেলচালিত পাম্প ও যন্ত্রপাতির ব্যাপক ব্যবহার হয়ে থাকে।
রাজশাহীর গোদাগাড়ীর কৃষক আবদুল্লাহ বিন সাফি জানান, গত মৌসুমে এক বিঘা জমিতে বোরো ধানের সেচ দিতে ডিজেল বাবদ প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। এ বছর সেই খরচ ৭ হাজার টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন। এ বছর আমন ধান বিক্রি করে তিনি প্রতি মণ ৯০০-৯৫০ টাকা পেয়েছেন, অথচ গত মৌসুমে এই দাম ছিল ১,২০০ টাকা।
`ছোট ভুলে বড় ক্ষতি বিএনপির` যুগান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, সততা, সংযম ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি দিয়ে কাজ শুরু করেছিল বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার। রাষ্ট্র পরিচালনায় নেওয়া হয়েছে একের পর এক ইতিবাচক উদ্যোগ। সরকারি ব্যয় কমানো থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের সুবিধা বাড়ানো, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাদাসিধে চলাফেরা ছাড়াও তার বিভিন্ন পদক্ষেপ জনগণের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
কিন্তু দলের তৃণমূলের কিছু নেতাকর্মীর `ছোট ভুল`ই বড় হয়ে উঠছে। কারণ এতে দলের ক্ষতিটা হয়ে যাচ্ছে বড়। চাঁদাবাজি, দখল, আধিপত্য বিস্তার, সংঘাত কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিতর্কে জড়িয়ে পড়ার মতো ঘটনায় স্লান হচ্ছে সরকারের অর্জন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নেতৃত্বের বড় সাফল্যকে ঢেকে দিচ্ছে মাঠের ছোট ছোট ভুল। এতে শুধু বিএনপির সাংগঠনিক ভাবমূর্তিই নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সরকারও।
সর্বশেষ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা এর বড় উদাহরণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ছাত্রশিবিরের এক নেতার সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরোধ তৈরি হয়। কিন্তু পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পরিবর্তে ছাত্রদলের প্রতিক্রিয়া এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে।
জনমনে বার্তাটা এমনভাবে গেছে যে, ভুলটা যেন ছাত্রদলেরই। অথচ ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল শিবিরের এক নেতার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিকভাবে এমন পরিস্থিতি সামলাতে আরও পরিণত ও কৌশলী হওয়া প্রয়োজন ছিল বিএনপির।
`অটোরিকশা চালকদের আল্টিমেটাম` মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীর বিভিন্ন রিকশা গ্যারেজে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা এবং চার নেতার গ্রেফতারের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকরা। গতকাল সকাল ১০টার পর থেকে রাজধানীর পল্টন ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন অটোরিকশাচালকরা।
পাশাপাশি রাজধানীর মালিবাগ, মুগদা মৌচাকসহ আরও কিছু এলাকায় অটোরিকশাচালকরা বিক্ষোভ ও খণ্ড খণ্ড মিছিল বের করেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের সড়ক প্রায় এক ঘণ্টা অবরোধ করে মিছিল নিয়ে দৈনিক বাংলা মোড়ে যান আন্দোলনকারীরা।
সেখানে সমাবেশ থেকে গ্রেপ্তারকৃত চার নেতার নিঃশর্ত মুক্তি এবং অন্যায়ভাবে রিকশা উচ্ছেদ অভিযান বন্ধের দাবি জানানো হয়। এসব দাবি বাস্তবায়নে সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে পরে অবরোধ প্রত্যাহার করেন তারা।
এদিন অটোরিকশাচালকদের অবরোধের কারণে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। রামপুরা, বাড্ডা, মালিবাগ, খিলগাঁও, মতিঝিল, মিরপুর ও মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অটোরিকশা চলাচল অনেকটা বন্ধ হয়ে যায়।
আন্দোলনকারীরা নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অবস্থান নেন। এ সময় আন্দোলনে যোগ না দিয়ে সড়কে যাত্রী পরিবহন করা কয়েকটি অটোরিকশার ব্যাটারির সংযোগের তার ছিঁড়ে ফেলেন আন্দোলনকারীরা।
