`সুন্দরবনের পাশে এলএনজি টার্মিনাল করার পরিকল্পনা`
`সুন্দরবনের পাশে এলএনজি টার্মিনাল করার পরিকল্পনা` সমকালের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, সুন্দরবনের আকরাম পয়েন্টে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) টার্মিনাল বা ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার।
পাইপলাইনের মাধ্যমে সেই গ্যাস মোংলায় নিয়ে অর্থনৈতিক অঞ্চলের শিল্পকারখানায় ব্যবহার করা হবে।
টার্মিনাল করার লক্ষ্য নিয়ে গত আগস্ট মাসে আকরাম পয়েন্ট এলাকা পরিদর্শন করেন নৌপরিবহনমন্ত্রী, বিদ্যুৎমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল।
২২শে অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্থানটি পরিদর্শনের কথা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে স্থান নির্বাচন হলে সম্ভাব্যতা যাচাইসহ অন্যান্য কাজ শুরু হবে।
সোমবার রাজধানীতে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) আয়োজিত আলোচনা সভায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, খুলনার কাছে বড় জাহাজ থেকে সরাসরি জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) খালাসের সুবিধাসম্পন্ন একটি আধুনিক টার্মিনাল গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
খুলনার কাছে ২০ মিটার ড্রাফটের একটি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে বড় জাহাজ থেকে সরাসরি তেল ও এলএনজি খালাসের সুবিধা পাওয়া যাবে।
নিউ এইজের শিরোনাম `Bangladesh, families kept in dark about trial process` অর্থাৎ `সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির বিচারপ্রক্রিয়া, মৃত্যুদন্ড কার্যকর নিয়ে অন্ধকারে ছিলো বাংলাদেশ ও পরিবার`।
খবরে বলা হচ্ছে, সৌদি আরবের মক্কায় একটি মসজিদে `অনৈতিক কর্মকাণ্ড` চালানোর অভিযোগে সম্প্রতি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বাংলাদেশে কর্তৃপক্ষ এবং তাদের পরিবার কেউই যথাযথ তথ্য জানতেন না।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, দণ্ডিত ব্যক্তিদের একজনের নাম নজরুল ইসলাম এবং অন্যজনের নাম সিথি আক্তার। ২০২৩ সালে আটক হওয়ার পর থেকেই তারা কারাগারে ছিলেন।
নজরুল ইসলামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া। তার পরিবার জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আনা হয়েছে বা সেখানে বিচার প্রক্রিয়াটি কীভাবে চলছে, সে সম্পর্কে তারা কিছুই জানত না।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন কিংবা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়—কাউকেই এই বিচার প্রক্রিয়ার বিষয়ে অবহিত করা হয়নি।
ফলে, ওই দুই বাংলাদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে কনসুলার সুবিধা দেওয়া সম্ভব হয়নি। অথচ `ভিয়েনা কনভেনশন অন কনসুলার রিলেশন্স, ১৯৬৩` অনুযায়ী, কোনো বিদেশি নাগরিক অন্য কোনো দেশে আটক বা গ্রেপ্তার হলে, তাঁর কনসুলার সুবিধা পাওয়ার আইনি অধিকার রয়েছে।
`বিবিএসের তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে এখনো প্রশ্ন রয়ে গেছে` বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, দেশের অর্থনীতি, জনসংখ্যা, দারিদ্র্য, কর্মসংস্থান, মূল্যস্ফীতি ও শিল্প উৎপাদনসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব খাতের নীতিনির্ধারণে ভিত্তি হিসেবে কাজ করে সরকারি পরিসংখ্যান।
এসব তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও প্রকাশের দায়িত্ব বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস)। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন মহলে সংস্থাটির প্রকাশিত তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
বিশেষ করে জিডিপির আকার ও প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি এবং অন্যান্য সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের হিসাব নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি, প্রকাশে বিলম্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতার ঘাটতি নিয়ে রয়েছে উদ্বেগ।
পরিসংখ্যানের গুণগত মান ও স্বচ্ছতা বাড়াতে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গঠিত স্বাধীন টাস্কফোর্সের ১২টি সুপারিশও বাস্তবায়িত হয়নি। সরকারি পরিসংখ্যানের প্রতি আস্থা ফেরানোর চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।
অর্থনীতিবিদ ও গবেষকদের অভিযোগ, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে অর্থনৈতিক অগ্রগতির চিত্র ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে তুলে ধরতে জিডিপির আকার ও প্রবৃদ্ধিসহ কিছু সূচকে অতিরঞ্জিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
সে সময়ের মূল্যস্ফীতির প্রকৃত চাপ পরিসংখ্যানে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
`সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে তথ্যের ঘাটতি ছিল` মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় তথ্য বিনিময় ও প্রক্রিয়াগত ঘাটতি ছিল বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। এ ঘটনায় সৌদি আরবের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা চলছে।
ঘটনাটিকে দুঃখজনক ও হতাশাজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, তথ্য বিনিময়ে ঘাটতি কেন হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
হুমায়ুন কবির বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের ভালো ও গভীর সম্পর্ক রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বর্তমান সরকারের সঙ্গে দেশটির সম্পর্ক ঐতিহাসিক। এ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরব উভয় দেশই জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী।
এ ধরনের ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে তথ্য বিনিময় ও যোগাযোগ থাকার কথা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তথ্যের ঘাটতি কেন হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে সৌদি আরবের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
`অস্ত্র-কাণ্ডে মন্ত্রিত্ব গেল ইশরাকের` আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
অস্ত্র-কাণ্ড নিয়ে বিতর্কের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা দিলেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে গতকাল সোমবার সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন তিনি। বিএনপি চাইলে তিনি ডিএসসিসির মেয়র পদে নির্বাচন করতে প্রস্তুত বলেও জানান।
জাতীয় প্রেসক্লাবে দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেন ইশরাক হোসেন। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী যথাসময়ে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হন তিনি। তাঁর সঙ্গে কয়েক শ নেতা-কর্মী ও সমর্থক ছিলেন। তাঁরা মুহুর্মুহু স্লোগান দেন। ফলে সংবাদ সম্মেলন অনেকটা সমাবেশের রূপ নেয়।
সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক হোসেন বলেন, গতকাল (সোমবার) থেকে তিনি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে।
তাঁর কারণে যাতে প্রধানমন্ত্রীর কোনো কর্মকাণ্ড ম্লান হয়ে না যায়, ঢাকা না পড়ে যায়, দল যাতে কোনো কারণে বিব্রত না হয়। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে মাদকবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছেন।
রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় গত শনিবার রেললাইনের পাশে অস্ত্র হাতে ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ইশরাক দাবি করেন, তিনি নিজের নিরাপত্তার জন্য বৈধ অস্ত্র হাতে নিয়েছিলেন।
`শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর প্রধানমন্ত্রী` কালের কণ্ঠের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, দল ও সরকারে শৃঙ্খলা ফেরাতে আপাতত সতর্কবার্তা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সাংগঠনিক-প্রশাসনিক পদক্ষেপের পথে হাঁটছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সরকার প্রধানের এই অবস্থানকে দুর্বলতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মনে করছেন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও দলের দায়িত্বশীল নেতারা।
তাঁরা বলছেন, দল কিংবা সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে পদ-পদবি বা রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।
সাম্প্রতিক সময়ে সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগ এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের ঘোষণা—এই দুটি ঘটনা `কঠোর নীতি`র সেই অবস্থানকেই সামনে এনেছে।
এর আগেও দুই মন্ত্রী পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকার গত ১৭ই অক্টোবর আট মাস পূর্ণ করে। সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের মধ্যে কেউ কেউ একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছেন।
তাঁদের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে বারবার বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যে কোনো ঘটনায় জনমনে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
এসব পরিস্থিতি সামাল দিতে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিচ্ছেন সরকারপ্রধান। মন্ত্রী ও এমপি পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
`এক হাজার শিল্পকারখানা ধুঁকছে, বন্ধের উপক্রম` যুগান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, গ্যাস সংকটে ধুঁকছে দেশের শিল্পকারখানা। গ্যাস বরাদ্দের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ ও সার বেশি গুরুত্ব পাওয়ায় শিল্পকারখানার উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
তিতাস এলাকার শিল্পকারখানা বেশি সমস্যা মোকাবিলা করছে। জানা যায়, তিতাসের বড় একটি এলাকায় প্রায় এক হাজার শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধীরে ধীরে বন্ধ হওয়ার উপক্রম।
শিল্পকারখানার এসব সমস্যার কথা উল্লেখ করে অসংখ্য অভিযোগ তিতাস গ্যাস কোম্পানি ও পেট্রোবাংলাকে দেওয়া হলেও শিল্প বাঁচানোর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। শিল্পোদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, অন্তত শিল্প বাঁচানোর জন্য শীতের চার মাস গ্যাসের বরাদ্দ বাড়ানো দরকার।
এই অভিযোগের ব্যাপারে পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন) মো. শোয়েব বলেন, শিল্পে কম গ্যাস পাওয়ার অভিযোগ আছে। তাই বিদ্যুতে ১০ কোটি ঘনফুট গ্যাস কমিয়ে শিল্পে বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।
পেট্রোবাংলা ও তিতাস জানিয়েছে, সাভার, আশুলিয়া, কোনাবাড়ী, মানিকনগর, শফিপুর, চন্দ্রা এবং নবীনগর এলাকায় সবচেয়ে বেশি গ্যাসের সংকট। এখানে শিল্পপ্রতিষ্ঠান আছে এক হাজারের বেশি। এসব এলাকার শিল্প বাঁচাতে কারও কোনো নজর নেই। গ্যাসের সরবরাহ অস্বাভাবিকভাবে কম।
`উপকূলে ডেঙ্গুর বিস্তার, প্রতিরোধে বিশেষ পরিকল্পনা নেই` প্রথম আলোর শিরোনাম।
বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যাসংখ্যা ৫০। ১৮ই অক্টোবর এখানে ডেঙ্গু রোগী ছিল ৩১ জন। চলতি বছর এ পর্যন্ত ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৫৩২।
এ হাসপাতালে অতীতে কখনো এত ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়নি-এমনটা বলছিলেন মোংলার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. শাহীন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা দিয়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বোঝা যাবে না। পরিস্থিতি এর চেয়েও মারাত্মক।
মোংলার এ চিত্র আসলে দেশের পুরো উপকূলীয় এলাকার বাস্তবতা। ডেঙ্গু একসময় ছিল শুধু রাজধানী শহরের রোগ। এখন তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে উপকূলীয় এলাকাগুলোতে এর বিস্তার বেশি।
চলতি বছর দেশে যত ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, তার প্রায় ৪০ শতাংশই উপকূলীয় ১৯ জেলার। দেশে ২০০০ সালে নতুন করে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের পর আর কোনো সময় উপকূলীয় জেলায় এই হারে রোগী ভর্তি হয়নি।
উপকূলীয় এলাকায় এত ডেঙ্গুর প্রকোপ কেন, তা নিয়ে সরকারি স্তরে কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা নেই। গবেষক, কীটতত্ত্ববিদ, চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্যবিদেরা এ নিয়ে তাঁদের কিছু ধারণার কথা বলেছেন। সেগুলোর মধ্যে আছে উপকূল অপেক্ষাকৃতভাবে ডেঙ্গুর নতুন সংক্রমণস্থল রোগতত্ত্বের পরিভাষায় ভার্জিন এরিয়া।
`চাঁদাবাজি সড়ক থেকে আড়ত` নয়াদিগন্তের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীর পাইকারি বাজার থেকে মহাসড়ক, গণপরিবহন থেকে আবাসিক এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা-ব্যবসা-বাণিজ্য ও পরিবহন খাতের নানা স্তরে চাঁদাবাজির বিস্তারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, পাইকারি বিক্রেতা, উদ্যোক্তা ও পরিবহন শ্রমিকদের অনেকের কাছে অবৈধ এ অর্থ আদায় কার্যত অলিখিত কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। চাঁদা না দিলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তালা লাগানো, ভাঙচুর, পণ্য খালাসে বাধা, এমনকি অগ্নিসংযোগ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগও রয়েছে।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর চাঁদাবাজির পুরনো কাঠামোর পরিবর্তন ঘটলেও এর অবসান হয়নি বলে অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা।
কোথাও আগের প্রভাবশালী গোষ্ঠীর জায়গায় নতুন গোষ্ঠী সক্রিয় হয়েছে, কোথাও একটি সিন্ডিকেটের পরিবর্তে একাধিক পক্ষের মধ্যে চাঁদার ভাগবাঁটোয়ারা চলছে। ফলে চাঁদাবাজির ধরন ও নিয়ন্ত্রণকারী পক্ষ বদলালেও ভুক্তভোগীদের দুর্ভোগ কাটছে না।
চাঁদাবাজির অভিযোগ কেবল বাজার কিংবা পরিবহন খাতে সীমাবদ্ধ নেই। রাজধানীর অভিজাত গুলশান আবাসিক এলাকায় গৃহস্থালি বর্জ্য অপসারণের কাজ পরিচালনা করে গুলশান সোসাইটি।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৬ই অক্টোবর `মাহাবুব ও রবিন গ্রুপ` এবং `রুবি এন্টারপ্রাইজ`-এর পরিচয় ব্যবহার করে কয়েকজন ব্যক্তি সোসাইটির কর্মকর্তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন। এ সময় প্রতি মাসে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং তা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
`Curfews in cities as cost of living riots rock France` দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ফ্রান্সে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের জেরে সপ্তাহজুড়ে দাঙ্গা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ত্রুটির কারণে চাপের মুখে পড়া ফরাসি কর্তৃপক্ষ গতকাল প্যারিস, লিল ও নিসসহ বেশ কয়েকটি শহরের কিছু অংশে কারফিউ জারি করেছে।
প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু প্যারিসজুড়ে কারফিউ জারির সম্ভাবনা নাকচ করে দিলেও জরুরি অবস্থা ঘোষণার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি।
তিনি আরও বলেন, আপাতত আংশিক ও স্থানীয় পর্যায়ে কারফিউ জারি করাই বেশি উপযুক্ত হবে।
প্যারিস পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় গতকাল রাত ৮টা থেকে প্যারিসের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করে আদেশ জারি করা হয়েছে।
এছাড়া, প্যালেস দে লা রিপাবলিক ও লে আলএলাকায় রাত ১১টা থেকে কারফিউ জারি করা হয়েছে। এ নির্দেশনা আজ স্থানীয় সময় আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
তবে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় মেয়রদের সম্মতিক্রমে লিল, দুয়ে, ওয়াতিনি ও দেনাঁ—এই শহরগুলোতে আগামী দুই দিনের জন্য অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে।
