ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) বিদেশি সংস্থা থেকে অবৈধ অর্থ সংগ্রহ করছে বলে অভিযোগ তুলেছে মোদি সরকার। ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের দাবি, সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দাতাদের কাছ থেকে এবং কৌশলবিদ আশুতোষ রাঙ্কা পাকিস্তানি রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে অর্থ পেয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘তাদের (সিজেপি) যে অননুমোদিত উৎস থেকে, অর্থাৎ ভারতবিরোধী এনজিও এবং দেশের ভেতরে ও বাইরে থাকা ভারতবিরোধী বিভিন্ন সংগঠন থেকে অর্থায়ন করা হচ্ছে, তার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে।’
বিজেপি মুখপাত্র তুহিন এ সিনহার অভিযোগ, দিল্লিতে উৎসবের মৌসুমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে সিজেপি ও কংগ্রেস পরিকল্পিতভাবে আন্দোলন করছে।
এদিকে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ সিজেপি মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য, অনুমতি ছাড়া যন্তর মন্তরে প্রবেশ এবং অন্য দলের সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ তদন্ত করছে পুলিশ।
গত ১০ অক্টোবর শান্তিভঙ্গ না করার মুচলেকা দিয়ে ৫০ হাজার রুপির বন্ডে মুক্তি পান সৌরভ ও আশুতোষ।
তবে বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে বিরোধীরা। কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গের প্রশ্ন, বিজেপি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারছেন না কেন? তিনি গোয়েন্দা সংস্থা আইবি ও র-এর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
কংগ্রেস, বিজেপি ও আরএসএসের অর্থায়ন নিয়ে প্রকাশ্য বিতর্কের প্রস্তাবও দিয়েছেন খাড়গে। প্রয়োজনে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতকে সেই আলোচনায় মধ্যস্থতার আহ্বান জানান তিনি।
সূত্র: এনডিটিভি
