রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

ফের পেছাল মাওলানা ফারুকী হত্যা মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি

আদালত প্রতিবেদক

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৫, ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম

ফের পেছাল মাওলানা ফারুকী হত্যা মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি

মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকী হত্যা ও ডাকাতির মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আবারও পিছিয়েছে। কারাগারে থাকা এক আসামিকে আদালতে হাজির না করায় আগামী ৮ নভেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

রোববার (২৫ অক্টোবর) ঢাকার নবম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শহিদুল ইসলাম এ তারিখ ধার্য করেন।

এদিন মামলার তিন আসামি আব্দুল্লাহ আল তাসনিম নাহিদ, রতন চৌধুরী ওরফে ইঞ্জিনিয়ার রিপন ওরফে রাকিবুল ইসলাম রিয়াজ এবং আবু রায়হান মাহমুদ আব্দুল হাদী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে কারাগারে থাকা আসামি হাদিসুর রহমান সাগরকে আদালতে হাজির করা হয়নি। ফলে অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে যায়।

এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর মামলাটির অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। ওই দিন আসামি ইঞ্জিনিয়ার রিপন ওরফে রিয়াজের আইনজীবী মো. জায়েদুর রহমান সময় চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, আসামির মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তিনি আদালতে হাজির হতে পারেননি। তার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেওয়ার জন্য সময় প্রয়োজন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে ২৫ অক্টোবর শুনানির নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

এদিন কারাগারে থাকা আসামি হাদিসুর রহমান সাগরের পক্ষে তার আইনজীবী জামিনের আবেদনও করেন। ওই আবেদনের শুনানির জন্যও ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছিল বলে আগের কার্যক্রমে জানানো হয়।

মামলার অপর দুই আসামি মাহমুদ ইবনে বাশার ও রফিকুল ইসলাম ফারদীন পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

যেভাবে হত্যা করা হয় ফারুকীকে

২০১৪ সালের ২৭ আগস্ট রাতে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারে নিজের বাসায় হত্যা করা হয় ইসলামি বক্তা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকীকে। হত্যার পর বাসা থেকে নগদ টাকা, সোনার গহনা, মোবাইল ফোন ও ক্যামেরাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

এ ঘটনায় ফারুকীর ছেলে ফয়সাল ফারুকী শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। মামলায় শুরুতে অজ্ঞাতপরিচয় আট থেকে দশজনকে আসামি করা হয়।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ছয়জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়, হত্যাকাণ্ডের আগের দিন ঢাকার কামারপাড়ায় এক বাড়িতে বসে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

তদন্তকারীদের অভিযোগ, ধর্মীয় মতাদর্শের বিরোধের জেরে ফারুকীকে হত্যা করা হয়। ফারুকী সুফি মতবাদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগপত্রে তার মতাদর্শের সঙ্গে অভিযুক্তদের মতাদর্শগত বিরোধের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।  

 

এম/আই

Link copied!