সোমবার, ০৫ অক্টোবর, ২০২৬

বুরকিনা ফাসোকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: অক্টোবর ৪, ২০২৬, ১০:৩৮ এএম

বুরকিনা ফাসোকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে আর্জেন্টিনা

দাপুটে পারফরম্যান্সে বুরকিনা ফাসোকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে আর্জেন্টিনা।

ফিফা আন্তর্জাতিক বিরতিতে প্রীতি ম্যাচে মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে প্রথমবারের মতো খেলতে নেমেই গোল উৎসবে মাতে লিওনেল স্কালোনির দল।
এই জয়ে স্কালোনির অধীনে নিজেদের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছে আর্জেন্টিনা। ২০২৩ সালে কুরাসাওয়ের বিপক্ষেও একই ব্যবধানে জিতেছিল আলবিসেলেস্তেরা।

এই ম্যাচে আর্জেন্টিনার হয়ে প্রথমবারের মতো গোল করেছেন জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ানো ও ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো। এছাড়া গোল পেয়েছেন লাওতারো মার্তিনেস, নিকো পাজ, হুলিয়ান আলভারেস ও হুলিয়ানো সিমিওনে।
বাকি গোলটি এসেছে প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী ভুলে।

ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টি থেকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা।
বক্সের মধ্যে আগুস্তিন গিয়াইকে ফাউল করেন বুরকিনা ফাসোর মৌমুনি দিয়ালো। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পটকিক নিতে এগিয়ে আসেন লাওতারো মার্তিনেস। তার প্রথম শট ঠেকিয়ে দিলেও বল পুরোপুরি বিপদমুক্ত করতে পারেননি গোলরক্ষক রাজাক গুইরা। ফিরতি বল পেয়ে জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন লাওতারো। বল জালে পাঠিয়ে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে গোলের দেখা পেলেন তিনি। এর আগে বলিভিয়ার বিপক্ষেও ম্যাচের প্রথম গোলটি করেছিলেন এই ফরোয়ার্ড।

এরপর আবারও আলোচনায় আসেন দিয়ালো। তার ক্লিয়ার করার চেষ্টা থেকেই বল নিজেদের জালে জড়িয়ে যায়। ম্যাচের প্রথম আট মিনিটেই দুটি ভুলে বুরকিনা ফাসোর এই ২২ বছর বয়সী ডিফেন্ডারের জন্য সময়টা হয়ে ওঠে দুঃস্বপ্নের মতো। তিনি বুরকিনা ফাসোর প্রথম বিভাগের ক্লাব সিএফএফইবি উয়াগাদুগুতে খেলেন।

প্রথমার্ধের ১২ মিনিটেই ব্যবধান ৩-০ করে ফেলেন প্রেস্টিয়ানি। বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত শক্তিশালী শটে বল জালে পাঠিয়ে আর্জেন্টিনার জার্সিতে নিজের প্রথম গোলটি করেন এই তরুণ।

এরপর আর্জেন্টিনার চতুর্থ গোলটি করেন নিকো পাজ। বলিভিয়ার বিপক্ষে আগের ম্যাচেও গোল করা এই ফুটবলার এবারও দারুণভাবে ফাঁকা জায়গায় ঢুকে লক্ষ্যভেদ করেন।

পঞ্চম গোলটি আসে হুলিয়ান আলভারেসের পা থেকে। জাতীয় দলের হয়ে তার সর্বশেষ গোল ছিল ২০১৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে করা সেই দুর্দান্ত ফিনিশিং। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও গোলের দেখা পেলেন এই ফরোয়ার্ড।

দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নেমে আর্জেন্টিনার হয়ে নিজের প্রথম গোলটি করেন মাস্তানতুয়োনো। গোলরক্ষকের সঙ্গে একের বিপরীতে এক অবস্থায় সুযোগটি কাজে লাগাতে ভুল করেননি তিনি। যে পোস্টের সামনে থেকে গোলটি করেছেন, সেই জায়গাতেই একসময় বোকা জুনিয়র্সের বিপক্ষে সুপারক্লাসিকোয় রিভার প্লেটের হয়ে স্মরণীয় ফ্রি-কিকে জয় এনে দিয়েছিলেন এই তরুণ।

ম্যাচের শেষ দিকে ভালেন্তিন বার্কোর ক্রস থেকে বল পেয়ে আর্জেন্টিনার সপ্তম গোলটি করেন জুলিয়ানো সিমিওনে। তাতেই পূর্ণতা পায় আলবিসেলেস্তেদের গোল উৎসব।

দৈনিক মুক্তবাণী

Link copied!