৪০০ রানের আশা দিয়েও আজ দ্বিতীয় দিনের সকালে হতশ্রী ব্যাটিং উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ। এমনকি স্বাগতিকেরা স্কোরবোর্ডে জমা করতে পারেনি ৩০০ রানও। বাজে ব্যাটিংয়ের পর ফিল্ডিংয়েও তালগোল পাকাচ্ছে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ। একের পর এক ক্যাচ মিস করছে স্বাগতিকেরা।
ওপেনার জন ক্যাম্পবেল এরই মধ্যে দুইবার জীবন পেয়েছেন। বাংলাদেশের বাজে ফিল্ডিংয়ের সুযোগে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করছেন ক্যাম্পবেল। চা পানের বিরতির আগেই তুলে নিয়েছেন ফিফটি। প্রথম ইনিংসে ২৭ ওভারে ১ উইকেটে ৮৯ রান করে দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনের খেলা শেষ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যাম্পবেল ৫৩ রানে অপরাজিত। তিন নম্বরে নামা তেজনারায়ণ চন্দরপল ২১ রানে ব্যাটিং করছেন।
৯৭.৪ ওভারে ২৭২ রানে গুটিয়ে যেতেই আজ দ্বিতীয় দিনের লাঞ্চ ঘোষণা করা হয়। প্রথম সেশনের পর ব্যাটিং শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলীয় ২৯ রানে ভেঙে যায় ক্যারিবীয়দের উদ্বোধনী জুটি। পঞ্চম ওভারের পঞ্চম বলে হাসান মাহমুদকে খোঁচা দিতে যান ব্র্যান্ডন কিং। এজ হওয়া বল ক্যাচ ধরেন উইকেটরক্ষক জাকের আলী অনিক। লিটন দাস চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ায় উইকেটরক্ষকের গ্লাভস জাকেরের হাতে।
উইন্ডিজের উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে পারত ১৪ রানেই। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে হাসানকে কাট করতে যান ক্যাম্পবেল। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ডাইভ দিয়েও বলের নাগাল পাননি নাঈম হাসান। ধারাভাষ্যকক্ষ থেকে আতহার আলী খান বলে উঠলেন, ‘ক্যাচটা অবশ্যই ধরা উচিত ছিল।’ তখন ক্যাম্পবেলের রান ৫। দ্বিতীয়বার যখন তিনি জীবন পান, তখন তাঁর রান ২২। এবার কট এন্ড বোল্ডের সুযোগ হাতছাড়া করেন শরীফুল ইসলাম।
১৫তম ওভারের শেষ বলে শরীফুলকে সজোরে স্ট্রেট ড্রাইভ করেন ক্যাম্পবেল। বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার কট এন্ড বোল্ডের সুযোগ হাতছাড়া করলে ২ রান নেন ক্যাম্পবেল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপেনারের রান তখন ২২। ক্যারিবীয়রা ৫২ রানে হারাতে পারত দ্বিতীয় উইকেট।
