বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬

আজকে প্রকাশিত পত্রিকার প্রধান প্রধান শিরোনাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: অক্টোবর ২১, ২০২৬, ০৯:৩৩ এএম

আজকে প্রকাশিত পত্রিকার প্রধান প্রধান শিরোনাম

‍‍`সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: মিশন ও পররাষ্ট্রের না জানার কারণ কী?‍‍`

মানবজমিনের শিরোনাম - ‍‍`সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: মিশন ও পররাষ্ট্রের না জানার কারণ কী?‍‍`

খবরে বলা হচ্ছে, সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট মিশন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া চলার পরও কেন আগাম কোনো তথ্য পায়নি ঢাকা? সৌদি কর্তৃপক্ষের পাঠানো বন্দিদের তালিকায় দণ্ডিত দুই বাংলাদেশির নাম ও তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের উল্লেখ ছিল।

এরপরও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে তাদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ কেন কাজে লাগানো গেল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট মিশন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য না থাকার দাবি এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আগাম কোনো বার্তা না পাওয়ার বিষয়টি এখন ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে।

গত ১৪ই অক্টোবর সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে দেশটির বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর প্রকাশ করে।

ওই প্রতিবেদনে একজনের নাম নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও আরেকজনের নাম সুইটি (সিঁথি) আক্তার হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

পরদিন জেদ্দায় বাংলাদেশের কন্স্যুলেট সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কূটনৈতিক পত্র পাঠায়। 
পরে ১৮ই অক্টোবর ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ বিন জাফর এইচ বিন আবিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে বিষয়টি তোলা হয়।

‍‍`১৪ বছরে ২,৮১১ কোটি ব্যয়ের পর বিআরটি প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত‍‍` কালের কণ্ঠের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, ঢাকা-গাজীপুর বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের সুফল পাওয়ার অপেক্ষায় কেটেছে ১৪ বছর। দুই হাজার ৮১১ কোটি টাকা ব্যয় করেও চালু করা যায়নি বিশেষ বাস।

দীর্ঘদিনের ভোগান্তির পর এবার প্রকল্পটি বাদ দিয়ে বিদ্যমান অবকাঠামো সাধারণ মহাসড়কে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে গত রবিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রকল্পটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরদিন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের এক চিঠিতে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিআরটি স্টেশন ও লেন বিভাজক অপসারণ করে সড়কটি তিন লেন করে দুই পাশে ছয় লেনে উন্নীত করা হবে।

দুটি দুই লেনের উড়ালসড়কও চার লেনে সম্প্রসারণের প্রস্তাব রয়েছে। বিআরটি পরিচালনাকারী ঢাকা বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি বিলুপ্ত করে এর কার্যক্রম সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) আওতায় নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিশেষজ্ঞদল প্রকল্পটি বাতিল করে বিদ্যমান অবকাঠামোকে উন্নত মহাসড়ক হিসেবে ব্যবহারের সুপারিশ করেছে।

বুয়েটের বিশেষজ্ঞদলটির মতে, পরিকল্পনা ও নকশার ত্রুটি, সমন্বয়হীনতা এবং জবাবদিহির ঘাটতি প্রকল্পটির ব্যর্থতার পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

‍‍`চাকরির আশায় রাশিয়ায় গিয়ে যুদ্ধে, ৩ বছরে ৫৪ জনের মৃত্যু‍‍` প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, পরিবারের ভাগ্য ফেরাতে উন্নত চাকরির আশায় রাশিয়ায় যান লালমনিরহাটের আবদুল্লাহ আল মামুন। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। দেশটিতে গিয়ে তাঁর ঠাঁই হয় যুদ্ধের ক্যাম্পে।

প্রশিক্ষণ শেষে যুদ্ধে পাঠানোর আগের দিন দেশে থাকা ছোট ভাই মো. রনিকে ফোন করে মামুন বলেন, ‍‍`যুদ্ধে পাঠিয়ে দিচ্ছে, আর দেখা না-ও হতে পারে। দুনিয়ায় দেখা না হলে দেখা হবে হাশরের মাঠে।‍‍`

প্রথম আলোকে কথাগুলো বলছিলেন মামুনের বাবা আবদুল মজিদ। তিনি বলেন, যুদ্ধে নেওয়ার পর থেকে তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ হয়নি।

পরে তাঁর সঙ্গে রাশিয়ায় যাওয়া আল আমিনকে আবার ফোন করেন রনি। আল আমিন জানান, মামুন মারা গেছেন।

কয়েক বছর ধরেই রাশিয়ায় যাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। তাদের অনেকেই প্রতারিত হয়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে যাচ্ছেন। তবে তাদের মরদেহ পাওয়া যায় না।

কাগজে-কলমে নিখোঁজ বলা হলেও পরিবার জানে, তাঁরা মৃত। এখন পর্যন্ত গত তিন কাগজে-কলমে নিখোঁজ বলা হলেও পরিবার জানে, তাঁরা মৃত।

এখন পর্যন্ত গত তিন বছরে অন্তত ৫৪ জনের মৃত্যুর খবর পেয়েছে প্রথম আলো। যদিও বর্তমান সরকার রাশিয়া যাওয়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করেছে।

নিউ এইজের শিরোনাম ‍‍`MPO teachers‍‍` pay hike time frame uncertain‍‍` অর্থাৎ ‍‍`এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির সময়সীমা অনিশ্চিত‍‍`।

খবরে বলা হচ্ছে, এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছয় লাখেরও বেশি শিক্ষক ও কর্মচারীর জন্য এখনও নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের কোনো সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করেনি সরকার।

তবে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া পহেলা জুলাই থেকে শুরু হয়েছে। সংশোধিত বেতন এবং বকেয়া পাওনা চলতি মাসেই পরিশোধ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শিক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সংশোধিত বেতন কাঠামো কার্যকর করার কোনো সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন ও ভাতা পাওয়ার জন্য তাঁদের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৬ লাখ ২ হাজার ৩৫৯ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীকে সংশোধিত বেতন কাঠামোর আওতায় আনতে অতিরিক্ত ১৩ হাজার ৩৯২ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে।

এর মধ্যে ১২,৫১৮ কোটি টাকা বেতন ও ভাতার জন্য প্রয়োজন হবে এবং বাকি অংশ পেনশন সহায়তার খাতে ব্যয় হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের এই সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে কার্যক্রম চলছে।
‍‍`তিন কোটি টাকার মাছ ছাড়তে খরচ ৪৫ কোটি‍‍` যুগান্তরের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, মাছের পোনা কিনতে ব্যয় হবে ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা (প্রায় ৩ কোটি)।

অথচ সেই পোনা বাঁওড়ে ছাড়তে খরচ হবে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ পোনা কেনার তুলনায় অন্যান্য খাতে ১৫ গুণ বেশি ব্যয় হবে।

সহজভাবে বললে, এক টাকার পোনার বিপরীতে ১৫ টাকা খরচের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে মৎস্য অধিদপ্তরের ‍‍`নির্বাচিত বাঁওড় এলাকায় সমাজভিত্তিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা‍‍` প্রকল্পে।

যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ২৯টি বাঁওড়ে মাছের উৎপাদন ১০ শতাংশ বাড়াতে ৪৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পটির নানা খাতের ব্যয় নিয়ে ইতোমধ্যে আপত্তি জানিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন। নাম প্রকাশ না করে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বাঁওড়ে (নদীর পরিত্যক্ত বাঁক থেকে সৃষ্ট জলাশয়) মাছের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি ভালো উদ্যোগ।

কিন্তু এর জন্য এসি, কম্পিউটারসহ যেসব ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে সেটা অস্বাভাবিক। এতে অনিয়মের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। পোনা কেনার বাইরে এত বিপুল ব্যয়ের প্রয়োজনীয়তা ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে এসব খাতের অবদান কতটা, তাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

‍‍`বাংলাদেশি ওষুধ যাচ্ছে দেড় শর বেশি দেশে‍‍` আজকের পত্রিকার শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, গত কয়েক দশকে দেশের ওষুধশিল্পে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এখন দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশই স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ওষুধে মেটে।

পাশাপাশি বিশ্ববাজারেও বাড়ছে বাংলাদেশে তৈরি ওষুধের উপস্থিতি। বর্তমানে বিশ্বের দেড় শর বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে দেশে তৈরি ওষুধ। গত পাঁচ বছরে রপ্তানি প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি ওষুধের উপস্থিতি বৃদ্ধি পাওয়া একটা গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। উৎপাদন সক্ষমতা, পণ্যের বৈচিত্র্য ও নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়ায় রপ্তানি আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের ওষুধ ১৬২টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো ১ হাজার ৭৭৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকার ওষুধ রপ্তানি করে।

এরপর থেকে প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য হারে তা বেড়েছে।

‍‍`পরমাণু প্রযুক্তির চিকিৎসা যাচ্ছে রাজধানীর বাইরে‍‍` নয়াদিগন্তের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, মরণব্যাধি ক্যান্সারসহ জটিল রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় পরমাণু প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে দেশের পাঁচটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস (ইনমাস) স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

এ জন্য প্রস্তাবিত ব্যয় ৫৩৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

অর্থাৎ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের জন্য গড়ে ১০৭ কোটিরও বেশি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা। পুরো অর্থই জোগান দেয়ার কথা সরকারি কোষাগার থেকে।

অনুমোদন পেলে আগামী ২০৩০ সালের জুনে প্রকল্পটি সমাপ্ত হবে বলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবনা থেকে জানা গেছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন।

আগামী রোববার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে।

প্রকল্প দলিলের তথ্য থেকে জানা গেছে, পরমাণু প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে ১৯৬০ সাল থেকে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (বাপশক) বিভিন্ন ধরনের পরমাণু চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছে।

‍‍`নগদনির্ভর লেনদেনে বছরে ৯৩ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার‍‍` বণিক বার্তার শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, দেশে নগদ টাকায় লেনদেনের কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি বড় অংশ করের আওতার বাইরে থেকে যাচ্ছে। এতে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

অন্যদিকে বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে নগদ টাকা ছাপানো, পরিবহন, নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনায়। ব্যাংক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভোক্তাকেও নগদ অর্থের ব্যবস্থাপনায় গুনতে হচ্ছে বড় অংকের পরোক্ষ ব্যয়।

সব মিলিয়ে দেশে নগদনির্ভর অর্থনীতির বার্ষিক ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ২৪ শতাংশ।

এর মধ্যে শুধু সরকারের সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণই ৯৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। নগদ লেনদেনের প্রকৃত ব্যয় খালি চোখে দৃশ্যমান না হলেও এর প্রভাব অর্থনীতির প্রায় প্রতিটি স্তরেই পড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক গবেষণা প্রতিবেদনে ওপরের চিত্র উঠে এসেছে।

‍‍`ডেঙ্গু সংক্রমণ ২৬ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ‍‍` সমকালের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, বছরের প্রথম সাড়ে ৯ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা এক লাখ ১৫ হাজার ছাড়িয়েছে।

২০০০ সালে ডেঙ্গু রোগী শনাক্তের তথ্য সংরক্ষণ শুরুর পর সংক্রমণের হিসাবে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

অন্যদিকে, গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত ভাইরাসজনিত এই রোগে প্রাণ গেছে ৩৫৭ জনের। মৃত্যুর দিক থেকে ২৬ বছরের মধ্যে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ।

সংক্রমণের এই হিসাব শুধু হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের। ফলে উপসর্গ নিয়ে বাড়িতে চিকিৎসা নেওয়া, পরীক্ষা না করানো কিংবা হাসপাতালের বাইরে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের সংখ্যা এতে অন্তর্ভুক্ত নেই। প্রকৃত সংক্রমণ আরও বেশি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এর আগে ২০২৩ সালে সর্বোচ্চ তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ওই বছর প্রাণ হারান এক হাজার ৭০৫ জন। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয় ২০২৪ সালে, ৫৭৫ জনের।

এদিকে ডেঙ্গু রোগী ও মৃত্যু বাড়তে থাকলেও সরকার বলছে, এ রোগ নিয়ন্ত্রণে তাদের চেষ্টায় কোনো ঘাটতি নেই। সবাই মিলে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছেন।

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‍‍`HOSPITAL EXPANSION Priority by POWER‍‍`। খবরে বলা হচ্ছে, গত আট মাসে হাতেগোনা কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর এলাকায় সীমাবদ্ধ ছিলো সরকারি হাসপাতালগুলোর সম্প্রসারণ কার্যক্রম।

যদিও অন্যান্য জেলার স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি।

১৭ই ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ১৪টি জেলার ১৯টি হাসপাতালে ২৮ হাজার ৭৯টি শয্যা যুক্ত করা হয়েছে।

এর মধ্যে ২ হাজার ৬৮৮টি শয্যা—অর্থাৎ প্রায় ৯৩ শতাংশ—১০টি জেলার ১৪টি হাসপাতালে বরাদ্দ করা হয়েছে। যে জেলাগুলোর সাথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বেশ কয়েকজন মন্ত্রীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

২৮শে এপ্রিল থেকে ২২শে সেপ্টেম্বরের মধ্যে হাসপাতাল সম্প্রসারণ সংক্রান্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তগুলোর নথিপত্র অনুযায়ী, অন্যান্য জেলার পাঁচটি হাসপাতালের জন্য মাত্র ১৯১টি শয্যা অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

একই সময়ে বিএনপি সরকার দুটি নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের অনুমোদন দেয়। যার একটি ১৫ই মে ঠাকুরগাঁওয়ে (তৎকালীন এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিজ জেলা) এবং অন্যটি ১৪ই জুন নরসিংদীতে (স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের নিজ জেলা) স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

জে/এইচ

Link copied!