নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ভাসানচরে অভিযান চালিয়ে ৪০ কেজি সংগ্রহ নিষিদ্ধ সামুদ্রিক কাঁকড়া উদ্ধার করেছে ৯ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। পরে উদ্ধার করা কাঁকড়াগুলো সমুদ্রে অবমুক্ত করা হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটের দিকে ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প-৩ এলাকার মাইক-০৯ পোস্টসংলগ্ন বেড়িবাঁধ থেকে এসব কাঁকড়া উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা কাঁকড়ার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩২ হাজার টাকা।
৯ এপিবিএন সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাহিনীর অপারেশন অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স টিম জানতে পারে, মাইক-০৯ পোস্টসংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সামুদ্রিক কাঁকড়া মজুদ রাখা হয়েছে। পরে ক্যাম্প কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক সুকুমার বিশ্বাসসহ একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়।
অভিযানে বেড়িবাঁধের ওপর থেকে ৪০ কেজি কাঁকড়া উদ্ধার করা হয়। তবে ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি। ফলে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পরবর্তী সময়ে ক্যাম্প কমান্ডার ও সিআইসির প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে উদ্ধার করা কাঁকড়াগুলো ভাসানচরের ১ নম্বর জেটিঘাটসংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় অবমুক্ত করা হয়।
৯ এপিবিএন জানায়, নিষিদ্ধ ঘোষিত এসব কাঁকড়া কারা সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুদ করেছিল, তা শনাক্ত করতে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এবিষয়ে ক্যাম্প কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ভাসানচরে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুত রাখা ৪০ কেজি সংগ্রহ নিষিদ্ধ সামুদ্রিক কাঁকড়া উদ্ধার করা হয়েছে। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে কাঁকড়াগুলো সমুদ্রে অবমুক্ত করা হয়। সামুদ্রিক জীব-বৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় নিষিদ্ধ কাঁকড়া আহরণ, মজুত ও বেচাকেনা প্রতিরোধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা চলছে।
