জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বাড়িতে আগুন লাগানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে নাসীরুদ্দীনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে।
বুধবার রাতে এক ফেসবুক পোস্টে এডমিন লেখেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বাড়িতে আগুন লাগানোর কোনো ঘটনা ঘটেনি। তাহলে প্রশ্ন হলো, এই ভিডিওটি ছড়ানোর উদ্দেশ্য কী? কেন এমন একটি স্পর্শকাতর ঘটনার ভিডিও তৈরি বা প্রচার করা হচ্ছে, যে ঘটনা বাস্তবে ঘটেইনি?
পোস্টে লেখা হয়, এর আগেও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ন্যারেটিভ নির্মাণ করে তার ওপর হামলার পরিবেশ তৈরি এবং হামলাকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ৫ বার হামলার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এসব হামলার কোনো দৃশ্যমান বিচারের উদ্যোগ বিএনপি সরকার করে নাই। বরং কেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা করা ‘জায়েজ’, তারই বৈধতা তৈরির মতো বক্তব্য স্বয়ং সরকারদলীয় দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে এসেছে।
তাহলে এবার ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিওটিও কি সেই ধারাবাহিকতার কোনো অংশ? এমন প্রশ্ন রেখে পোস্টে লেখা হয়, একই সঙ্গে ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের কোনো পরিকল্পিত প্রচেষ্টার অংশ কি না?
এছাড়া চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর যে দুঃসাহসী অবস্থান, সেটিকে প্রতিহত করতেই কি বারবার তার বিরুদ্ধে এমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ন্যারেটিভ তৈরি করা হচ্ছে? তার কণ্ঠকে স্তব্ধ করতে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও পতিত স্বার্থান্বেষী মহলের সম্মিলিত কোনো প্রচেষ্টা চলছে কি না, সেটিও তদন্তের দাবি রাখে বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়।
ফেসবুক পোস্টে এডমিন দাবি করেন, এমতাবস্থায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ঘিরে ছড়ানো মিথ্যা ন্যারেটিভ, তার ওপর সংঘটিত সব হামলা এবং সর্বশেষ বাস্তবে না ঘটা একটি অগ্নিকাণ্ডের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে। সত্য উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব বিএনপি সরকারেরই।
