শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

আজকে প্রকাশিত পত্রিকার প্রধান প্রধান শিরোনাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: অক্টোবর ৩১, ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম

আজকে প্রকাশিত পত্রিকার প্রধান প্রধান শিরোনাম

‍‍`তাহসিফের মৃত্যু: বন্ধু দীপের তথ্যে বাড়ছে রহস্য‍‍`


বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় তার বন্ধু শাহরিয়ার দীপকে হেফাজতে নিয়ে তথ্য সংগ্রহের পর তদন্তে নতুন মোড়; তবে দীপের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশের বক্তব্য নিয়ে তাহসিফের বাবার মত ভিন্ন; তিন বছরে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা; গ্যাসের মজুত ফুরিয়ে আসা এবং এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের আরও সময় পাওয়ার খবর গুরুত্ব পেয়েছে আজ শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।

তাহসিফের মৃত্যু: বন্ধু দীপের তথ্যে বাড়ছে রহস্য— মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, বিমান বাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় রহস্য আরও বাড়ছে। তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার দীপকে হেফাজতে নিয়ে তথ্য সংগ্রহের পর তদন্তেও নতুন মোড় নিয়েছে।

দীপ দুইদিনে দুই ধরনের তথ্য দেওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও ধোঁয়াশার মধ্যে আছে।

তবে ঘটনার পুরোটাই দীপ জানেন, তা মনে করছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা। তাই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই পুরো রহস্য উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা করছেন তারা।

দীপের দেওয়া তথ্যে ঘটনাস্থল নির্ধারণ, তাহসিফের মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে ইতোমধ্যে।

এছাড়া, ঘটনা সংঘটনের সময়েরও একটা ধারণা মিলেছে।

প্রথমে দীপ দাবি করেছিলেন, উত্তরার রেস্তরাঁ থেকে খাবার খেয়ে দু‍‍`জন দু‍‍`দিকে চলে যান।


কিন্তু পিবিআইর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তথ্য দিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাহসিফ ও তিনি একসঙ্গে ছিলেন। সেখানে মধ্যরাতের পর একদল লোক তাদের ধাওয়া দিলে তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন আর তিনি নিজে পালিয়ে চলে আসেন।

পুলিশের বক্তব্যে ভিন্নমত তাহসিফের বাবার— আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সৌরি ধাওয়া খেয়ে তুরাগ নদে ঝাঁপ দিয়েছিলেন বলে তার বন্ধু শাহরিয়ার দীপ যে তথ্য দিয়েছেন, তেমনটাই ঘটেছে বলে ধারণা করছেন তদন্তকারীরা।

কিন্তু পুলিশের এমন ধারণার সঙ্গে একমত হতে পারছে না তাহসিফের পরিবার।

তাহসিফের বাবা এ কে এম এনায়েতুল করিমের অভিযোগ, মূল ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি গতকাল শুক্রবার সাংবাদিকদের জানান, তার ছেলে সাঁতার জানতেন। শুধু তা-ই নয়, পাইলট হিসেবে প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে সাঁতারের ওপর বিশেষ কোর্স সম্পন্ন করে সনদও পেয়েছিলেন তিনি। তাই ডুবে মৃত্যুর বয়ান তার কাছে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না ।

এই খবরে বলা হয়েছে, তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার আগামী তিন বছরে প্রায় এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মীর পদ সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছে।

এই পরিকল্পনার আওতায় সারাদেশে প্রায় দেড় লাখ স্বাস্থ্যকর্মীর একটি কর্মীবাহিনী গড়ে তোলা হবে। এতে বর্তমানে কর্মরত ৪০ হাজারেরও বেশি স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারী এবং কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের সাথে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা যুক্ত হবেন।

এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে কর্মরত তিন ধরনের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা হবে।

এই সমন্বিত কর্মীবাহিনী ইউনিয়ন পর্যায়ে এবং সিটি করপোরেশন এলাকার ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রস্তাবিত ‍‍`স্বাস্থ্য ও কল্যাণ কেন্দ্র‍‍`-এর মাধ্যমে কাজ করবে।

তাদেরকে এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে তারা বিভিন্ন কর্মসূচি বা বিভাগের অধীনে আলাদাভাবে কাজ করার বদলে একটি অভিন্ন মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করতে পারেন।

যোগাযোগ করা হলে এ নিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত জানান, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে শক্তিশালী করা ক্ষমতাসীন দল বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিল। এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের এই পরিকল্পনা সেই প্রতিশ্রুতিরই একটি অংশ।

ইশতেহারে দলটি আরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, নিয়োগপ্রাপ্তদের ৮০ শতাংশই হবেন নারী।

সমকালের প্রধান সংবাদ— এলডিসি উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় পেল বাংলাদেশ।

এতে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হতে আরও তিন বছর সময় পেল বাংলাদেশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এ বিষয়ে উত্থাপিত প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে।

জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বরের পরিবর্তে ২০২৯ সালের একই তারিখে এলডিসি থেকে বের হবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পাশাপাশি নেপালও উত্তরণের জন্য তিন বছর সময় পেয়েছে।

বৈশ্বিক সংকট, দেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন, অর্থনীতির ধীরগতিসহ নানা কারণে এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দিতে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘে অনুরোধ করেছিল।

প্রথম আলোর প্রধান খবরের শিরোনাম— আপাত স্বস্তি, আছে সংস্কারের চাপ।

এই খবরে বলা হয়েছে, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুতির জন্য আরও তিন বছর সময় পেয়েছে বাংলাদেশ।

এলডিসি উত্তরণ হলে যেসব বাণিজ্যসুবিধা উঠে যেত, সেসব সুবিধা অন্তত ২০২৯ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত হাল থাকবে। সুবিধা পাওয়ার তালিকায় আছে স্কমুক্ত বাজারসুবিধা, ভর্তুকি, নগদ সহায়তার যোগ, নমনীয় শর্তে ঋণ পাওয়া ইত্যাদি।

এদিকে, অর্থনীতিতে এখন নানামুখী চাপ আছে। এই চাপের সময়ে প্রস্তুতির জন্য বাড়তি সময় নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দেবে।

এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকালে বাড়তি তিন বছরের মধ্যে রাজস্ব ও আর্থিক খাত, ব্যবসাসহায়ক পরিবেশ, বৈচিত্র্যময় রপ্তানি খাতসহ বিভিন্ন বিষয়ে চলমান সংস্কারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

নিউ এইজের প্রধান সংবাদ— Gas reserves drying up, output falls 39pc in decade; অর্থাৎ গ্যাসের মজুদ ফুরিয়ে আসছে, এক দশকে উৎপাদন কমেছে ৩৯ শতাংশ।

খবরটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে উত্তোলনযোগ্য প্রাকৃতিক গ্যাসের মোট মজুদ ছিল ৩০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট, যার ৭৪ শতাংশই ইতোমধ্যে নিঃশেষ হয়ে গেছে। আর গত এক দশকে গ্যাস উৎপাদন কমেছে ৩৯ শতাংশ।

নতুন কোনো বড় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হলে দেশের বর্তমান গ্যাসক্ষেত্রগুলো সর্বোচ্চ আট বছরের মধ্যে পুরোপুরি নিঃশেষ হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

হাইড্রোকার্বন ইউনিটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দেশি ও আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলো প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৬৬০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস উৎপাদন করত। ২০১৫ সালের মে মাসে উৎপাদনের পরিমাণ সর্বোচ্চ ২ হাজার ৭৮৬ এমএমসিএফডিতে পৌঁছেছিল।

বর্তমানে দেশে গ্যাস উৎপাদনের পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬২০ এমএমসিএফডিতে, অর্থাৎ এক দশকে উৎপাদন কমেছে প্রায় ৩৯ শতাংশ।

উৎপাদন হ্রাসের প্রধান কারণ হলো দেশের পুরোনো গ্যাসক্ষেত্র ও কূপগুলোর মজুদ ফুরিয়ে আসা।

এদিকে, গ্যাসের দেশীয় উৎপাদন কমে গেলেও চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। গ্যাসের মজুদ কমে যাওয়ায় গৃহস্থালি ও শিল্প— উভয় খাতেই বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

গ্যাস সরবরাহের সংকট তীব্র হওয়ায় গত জুলাই মাসে সরকার নতুন শিল্পকারখানায় গ্যাস সংযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত করে দেয়।

যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম— গতিহীন উচ্চগতির রেল।

এই খবরে বলা হয়েছে, ১৪০ কিলোমিটার গতির প্রতিশ্রুতি দিয়ে আওয়ামী আমলে ৭০টি উচ্চগতির ইঞ্জিন ও ৮০০টি যাত্রীবাহী কোচ কিনেছিল বাংলাদেশ রেলওয়ে।

তবে বাস্তবায়নে দেখা গেছে উলটো চিত্র। এসব ইঞ্জিন-কোচ ৫০ থেকে ৬৭ কিলোমিটারের বেশি গতি তুলতে পারছে না; কোনো কোনো সেকশনে তা নেমে আসছে ৫ থেকে ১০ কিলোমিটারে।

২০ থেকে ২৫ বছর আয়ুষ্কাল বলা হলেও এসব ইঞ্জিনের প্রায় অর্ধেকই ক্রয়ের দুই-তিন বছরের মধ্যে অচল হয়ে পড়েছে।

রেলের কিছু অসাধু কর্মকর্তার অনিয়ম-দুর্নীতি এবং সড়ক পরিবহন খাতের প্রভাবশালী লবির চক্রান্তে হাজার হাজার কোটি টাকার অবকাঠামো উন্নয়ন হলেও ইঞ্জিন ও কোচের তীব্র সংকটে রেলে গতি আসেনি; বরং বন্ধ হয়ে গেছে অন্তত ৭৭টি ট্রেন।

আর ত্রুটিপূর্ণ ইঞ্জিনগুলো মাঝপথেই বিকল হয়ে চরম ভোগান্তিতে ফেলছে যাত্রীদের।

জানা যায়, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত রোলিংস্টক (ইঞ্জিন ও কোচ) ক্রয়ে ব্যয় হয়েছে সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা। অথচ এর বিপরীতে অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় হয়েছে ৯২ হাজার কোটি টাকা।

এদিকে, রাজধানীর কমলাপুর স্টেশনের ৭টি প্ল্যাটফর্ম দিয়ে বর্তমানে ৬০টি ট্রেন চলছে। অথচ এ অবস্থায়ই আরও দ্বিগুণের বেশি ট্রেন চালানো সম্ভব। কিন্তু ইঞ্জিন ও কোচের অভাবে তা হচ্ছে না।

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— HSIA third terminal launch on Victory Day: Will it be ready for take-off? অর্থাৎ বিজয় দিবসে উদ্বোধনের সময় ঘনিয়ে আসছে, সচল হবে তো শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল?

এই খবরে বলা হয়েছে, আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধনের ঘোষণা থাকলেও এটি কারা পরিচালনা করবে, সেই প্রশ্নেরই জবাব পাওয়া যাচ্ছে না।

টার্মিনালের ব্যবস্থাপনায় থাকবে যারা, সেই জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে আলোচনা শেষ হয়নি এখনো। প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব কে পাবে, এসব এখনো ঠিক হয়নি।

আবার ইমিগ্রেশন পুলিশ, কাস্টমসহ বিমানবন্দরে গুরুত্বপূর্ণ বহু সংস্থা কাজ করে থাকে। এখনো এসব সংস্থার প্রস্তুতি চোখে পড়েনি।

বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান মফিদুর রহমান জানান, সীমিত পরিসরে থার্ড টার্মিনাল চালুর পরিকল্পনা করছে বলে তিনি শুনেছেন। তবে এটি কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে তার সন্দেহ রয়েছে।

তিনি বলেছেন, ‍‍`পদ্ধতিগতভাবে চিন্তা করলে ঘোষিত সময়ে টার্মিনাল চালু করা সম্ভব নয়। কারণ, এখনো দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনাই শেষ হয়নি। এরপর চুক্তি করে জনবল নিয়োগ করে তা চালু করা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।‍‍`

এদিকে, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের জন্য চারটি কোম্পানিকে শর্টলিস্টেড করা হয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে দিয়েই গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ করানো হবে।

তবে তাদেরকে এই দায়িত্ব দিলে আসলে উন্নত সেবা পাওয়া যাবে কি না, সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। বর্তমানে দুটি টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে বিমানের ব্যর্থতার বিষয়টি বারবার আলোচনায় আসছে।

দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম— প্রতিবন্ধীদের ‍‍`মুক্তা‍‍`য় ধস।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাজারে চাহিদা ও ক্রেতাদের আস্থা থাকলেও এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে উৎপাদন করতে পারছে না সরকারি উদ্যোগে পরিচালিত ‍‍`মুক্তা ড্রিংকিং ওয়াটার‍‍`।

উৎপাদন সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা, বাজারজাতকরণে দুর্বলতা ও প্রশাসনিক জটিলতায় গত ২ বছর এই বোতলজাত পানির উৎপাদন অর্ধেকেরও বেশি কমেছে।

গাজীপুরের টঙ্গীতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন শারীরিক প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠান মৈত্রী শিল্পে উৎপাদিত হয় এই বোতলজাত পানি।

প্রতিষ্ঠানটির হিসাব বলছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে যেখানে ৫০ লাখ ৩ হাজার ৭৪৩ লিটার পানি উৎপাদন হয়েছিল, দুই বছরের ব্যবধানে তা নেমে এসেছে ২৪ লাখ ৯ হাজার ৫০০ লিটারে।

মৈত্রী শিল্প কর্তৃপক্ষের হিসাবে, প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ লিটার মুক্তা পানির চাহিদা রয়েছে। অথচ কারখানার বর্তমানে দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ৫০ হাজার লিটার।

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম— এআইয়ের ছবি যখন হয়রানির অস্ত্র।

এই খবরে বলা হয়েছে, সাধারণ ছবিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বিকৃত করে নানা জনের কাছে টাকা চাওয়ার ঘটনা ঘটছে দেশে। অর্থ না দিলে বিকৃত ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সেই সাথে পাঠানো হবে আত্মীয়-স্বজনের কাছেও।

এভাবেই নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এআইয়ের অপব্যবহারের শিকার হচ্ছেন। বাদ যাচ্ছে না রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠান।

নারীদের ক্ষেত্রে এ ধরনের ঘটনা বেশি ঘটছে। সরকারপ্রধানের কন্যাকে নিয়েও অর্ধশতাধিক এআই ছবি-ভিডিও প্রকাশ করার খবরও গণমাধ্যমে এসেছে।

সম্প্রতি অভিনেত্রী পরীমনি ও মেহজাবীন চৌধুরীর এআই দিয়ে তৈরি আপত্তিকর ভিডিও একটি টেলিভিশন চ্যানেলের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

এ ঘটনায় দুই অভিনেত্রীই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। পরে এ ঘটনায় টেলিভিশন চ্যানেলটি পরীমনি ও মেহজাবীন চৌধুরীর কাছে ক্ষমা চায়।
 

জেএইচ

Link copied!