নোয়াখালী পৌরসভা আধুনিকায়ন লক্ষে ২০২২ সালে ময়লা-আবর্জনা নিদের্ষ্ট স্থানে ডাম্পিং করা জন্য ময়লার ভাগাড় র্নিমানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের শাসন পরিবর্তন ও ব্যবস্থাপনায় নানা সমস্যা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে প্রকল্প এলাকার আশপাশের বসতি, খামার ও জীবিকানির্ভর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
২০২২ সালে জেলা শহরের অদূরে নোয়াখালী মৌজায় পৌরসভার এই ময়লার ভাগাড় ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নেওয়া প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রত্যাশা থাকলেও কাজের ধীরগতিতে সেই সুফল এখনো পুরোপুরি পাচ্ছেন না পৌরবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ময়লা-আবর্জনা দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকায় দুর্গন্ধ, মশা-মাছির উপদ্রবসহ পরিবেশগত নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে বর্জ্য ও নোংরা পানি আশপাশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এতে মাছের খামার বসতবাড়ির পাশাপাশি গবাদিপশুর খামার ও বিভিন্ন ছোট উদ্যোক্তার কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রকল্প এলাকার আশপাশে বসবাসকারী ও জীবিকার সঙ্গে যুক্ত অনেক মানুষ বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে চলা নির্মাণকাজ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে খামারিদের গবাদিপশু পালন, কৃষিকাজ ও অন্যান্য ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় স্থানীয় মানুষের বসতি ও জীবিকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে পরিবেশ দূষণ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া এবং কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
পৌরকর্তৃপক্ষ ইন্জিয়ার দেলোয়ার হোসেন জানান, পৌরবাসীর প্রত্যাশা আনুসারে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্প অর্থ পেলে দ্রুত বাস্তবায়িত হলে শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরবে। পাশাপাশি দুর্গন্ধ, মশা-মাছি ও পরিবেশ দূষণ কমিয়ে নাগরিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকিও কমানো সম্ভব হবে।
পৌরবাসীর প্রত্যাশা প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দা, খামারি ও উদ্যোক্তাদের বিষয়বটি গুরুত্ব দিয়ে দেখার দাবি জানান।
