রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
জামায়াত ও আওয়ামী বলয়ের প্রভাবে এখনো চলছে রাবিপ্রবি প্রশাসন

সাত মাসেও কাটেনি সাবেক উপাচার্যের সময়কার নিয়োগের বিতর্ক

কামাল পারভেজ, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: অক্টোবর ১০, ২০২৬, ০১:০৬ পিএম

সাত মাসেও কাটেনি সাবেক উপাচার্যের সময়কার নিয়োগের বিতর্ক

 রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাবিপ্রবি) নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনিক নিয়োগ, শিক্ষক-কর্মকর্তা নিয়োগের স্বচ্ছতা এবং পূর্ববর্তী প্রশাসনের সময়ে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল রাখা নিয়ে। অভিযোগ রয়েছে, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় সাত মাস পেরিয়ে গেলেও সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিয়ার রহমানের সময়ে নিয়োগ পাওয়া বিতর্কিত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বিষয়ে কার্যকর পর্যালোচনা না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে এখনো আগের প্রভাব রয়ে গেছে।
অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, সাবেক উপাচার্যের দায়িত্বকালে অন্তর্বর্তী সময়ে প্রায় ২৯ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগপ্রাপ্তদের বড় একটি অংশের রাজনৈতিক ও আদর্শিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক পদধারী এবং জামায়াতপন্থী হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিরাও রয়েছেন। তবে এসব রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও নিয়োগের বৈধতা যাচাই করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগসংক্রান্ত নথি, প্রার্থীদের আবেদনপত্র এবং সংশ্লিষ্ট কমিটির কার্যবিবরণী পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক প্রশ্ন:
শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, কয়েকটি সহযোগী অধ্যাপক পদে প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকলেও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো পদে একজন বা সীমিতসংখ্যক প্রার্থী আবেদন করলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
এছাড়া পদভেদে যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, কেউ অধ্যাপক পদে আবেদন করার পর সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। আবার সহযোগী অধ্যাপক পদে আবেদন করা কয়েকজনকে সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রভাষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও লিখিত পরীক্ষা, বয়সসীমা ও অন্যান্য যোগ্যতার শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি কয়েকজন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও নিয়োগ পেয়েছেন এবং কেউ কেউ ইন্টারভিউ কার্ড না পেয়েও চাকরি পেয়েছেন—এমন দাবিও উঠেছে।
বয়সসীমা ও অভিজ্ঞতার শর্ত নিয়েও অভিযোগ:
বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী এন্ট্রি-লেভেল প্রভাষক পদে বয়স ও যোগ্যতার নির্দিষ্ট শর্ত রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সাবেক প্রশাসন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বয়সসীমা শিথিল করে এবং পরবর্তীতে নির্ধারিত সীমার চেয়েও বেশি বয়সী ব্যক্তিকে প্রভাষক পদে নিয়োগ দেয়।
একইভাবে কয়েকজন কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতার শর্ত পূরণ না করেই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় ও অভ্যন্তরীণ প্রার্থীদের উপেক্ষা করে বাইরে থেকে একাধিক কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
গুরুত্বপূর্ণ পদে একই বলয়ের লোকজন?:
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, শুধু নিয়োগ দিয়েই সাবেক প্রশাসন থেমে থাকেনি; নিয়োগপ্রাপ্তদের একটি অংশকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বেও বসানো হয়। রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, প্রক্টর, গবেষণা ও বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে তাদের দায়িত্ব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এতে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত গ্রহণে একটি নির্দিষ্ট বলয়ের প্রভাব তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা মনে করছেন। তাদের দাবি, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ স্থানীয় শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে অপেক্ষাকৃত নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রশাসনিক দায়িত্ব দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
ইউজিসির পর্যবেক্ষণ কতটা গুরুত্বপূর্ণ?:
অভিযোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—এসব নিয়োগের আর্থিক ও প্রশাসনিক বৈধতা নিয়ে ইউজিসির পর্যবেক্ষণ। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ইউজিসির বাজেট পর্যবেক্ষণ ও আর্থিক যাচাইয়ে কয়েকটি নিয়োগ নিয়ে আপত্তি তোলা হয়েছে। এমনকি বিতর্কিত নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত বরাদ্দ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে ইউজিসির লিখিত পর্যবেক্ষণ, অডিট আপত্তি এবং সংশ্লিষ্ট নথি প্রকাশ্যে না আসা পর্যন্ত এসব দাবির পূর্ণাঙ্গ সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির সংশ্লিষ্ট নথি প্রকাশ করে বিষয়টি পরিষ্কার করার দাবি উঠেছে।
স্থানীয়দের অংশগ্রহণ নিয়েও প্রশ্ন:
রাবিপ্রবি পার্বত্য চট্টগ্রামের একমাত্র বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ফলে পার্বত্য অঞ্চলের যোগ্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও গবেষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা উচিত বলে মনে করেন স্থানীয়রা।
তাদের অভিযোগ, সাবেক প্রশাসনের সময়ে নিয়োগ পাওয়া প্রায় ২৯ জন শিক্ষকের মধ্যে পার্বত্য অঞ্চলের বাসিন্দা ছিলেন মাত্র একজন। পরবর্তীতে তিনিও চাকরি ছেড়ে বিদেশে চলে গেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যেও স্থানীয়দের প্রতিনিধিত্ব ছিল অত্যন্ত কম—এমন অভিযোগ রয়েছে।
রাবিপ্রবিতে আধিপত্যের পালাবদল, বহাল ছাত্রলীগ-শিবিরের প্রভাব!
রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবিপ্রবি) দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক বলয়ের প্রভাব বিস্তার নিয়ে নানা আলোচনা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন গোষ্ঠীর প্রভাব, ছাত্রলীগের আধিপত্য এবং পরবর্তী সময়ে ছাত্রশিবিরের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ সামনে এসেছে। তবে প্রশাসনের নেতৃত্বে পরিবর্তন এলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক প্রভাবের সমীকরণে প্রত্যাশিত পরিবর্তন আসেনি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
২০১৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়টির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে ২০১৫ সালের ৯ নভেম্বর ক্লাস শুরুর মাধ্যমে এর একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুর দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের প্রভাব বেশি ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। কয়েক বছরের মধ্যে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের প্রভাব বাড়তে থাকে এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংগঠনটির আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ প্রভাবের সমীকরণেও পরিবর্তন আসে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অধ্যাপক ড. আতিয়ার রহমান উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের পাশাপাশি ছাত্রশিবির-সংশ্লিষ্ট জামায়াতপন্থী বলয়ের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ওঠে। 
বর্তমানে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। কিন্তু নতুন প্রশাসনের অধীনে বিএনপিপন্থী কোনো সুসংগঠিত বলয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে। তাদের মতে, প্রশাসনিক নেতৃত্বে পরিবর্তন এলেও ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবির-সংশ্লিষ্ট বলয়ের প্রভাব নিয়ে আলোচনা এখনো রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, উপাচার্য পরিবর্তনের পরও কেন ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগের অবসান হচ্ছে না? শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা এবং শিক্ষার্থীদের স্বাধীন ছাত্ররাজনীতি নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা নিয়েও আলোচনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়কে রাজনৈতিক বলয়ের প্রভাবমুক্ত রেখে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়া এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
তদন্তের দাবি:
সংশ্লিষ্টদের মতে, রাবিপ্রবির বর্তমান প্রশাসনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো পূর্ববর্তী নিয়োগ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। কোনো নিয়োগ রাজনৈতিক বা আদর্শিক বিবেচনায় হয়েছে কি না, প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা যথাযথ ছিল কি না, বয়সসীমা ও প্রতিযোগিতামূলক নিয়োগের বিধান মানা হয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর নথি যাচাইয়ের মাধ্যমেই পাওয়া সম্ভব।
তাই সাবেক প্রশাসনের সময়ে হওয়া শিক্ষক-কর্মকর্তা নিয়োগের পূর্ণাঙ্গ তালিকা, বিজ্ঞপ্তি, আবেদনকারীর সংখ্যা, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর, নিয়োগ বোর্ডের কার্যবিবরণী এবং ইউজিসির পর্যবেক্ষণ প্রকাশ করে একটি স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তাদের মতে, রাবিপ্রবিকে কোনো রাজনৈতিক বা আদর্শিক বলয়ের প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে আইন, বিধি ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পরিচালনা করা জরুরি। একই সঙ্গে পার্বত্য অঞ্চলের যোগ্য ও মেধাবী জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। 
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় প্রধানদের নিয়োগ ও প্রশাসনিক বলয় নিয়েও অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আতিয়ার রহমানের সময়ে নিয়োগ পাওয়া বিভাগীয় প্রধানদের মধ্যে পরিবর্তন না আসায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোয় একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বলয়ের প্রভাব রয়েছে বলে ধারণা তৈরি হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াত-সংশ্লিষ্ট বলয়ের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও করেন। 
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় প্রধান পরিবর্তনের বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী
বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সংবিধি রয়েছে এবং তা অনুসরণ করেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় বিভিন্ন বিষয় সমন্বয় করে পরিচালনা করতে হচ্ছে। এসব বিষয়ে সমাধানের জন্য নিয়মিত আলোচনা ও চিন্তাভাবনা চলছে বলেও জানান তিনি।
জামায়াত-সংশ্লিষ্ট বলয়ের অভিযোগের জবাব মেলেনি:
সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আতিয়ার রহমানের সময়ে বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াত-সংশ্লিষ্ট বলয়ের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী জানান, আমি এখন একটি অনুষ্ঠানে আছি, অনুষ্ঠান শেষে ফোন করে কথা বলবেন বলে জানান তিনি। 
দুর্নীতি বিষয়ে পূর্বে এক পত্রিকাকে মুঠো ফোনে জানান :
বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব অভিযোগ সম্পর্কে ইউজিসির প্রতিবেদন ও সুপারিশের সত্যতা নিশ্চিত করে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) ভিসি অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী স্বীকার করে  বলেন, সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. আতিয়ার রহমানের সময়ে কিছু সুনির্দিষ্ট বিষয়ে অনিয়ম হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউজিসি, একই সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কিছু সুপারিশ করা হয়েছে। সেই আলোকে আমরা একটা তদন্ত কমিটি করেছি। সার্বিক বিষয় তদন্ত করছে কমিটি, তদন্তের স্বার্থে এই মুহুর্তে বেশি কিছু বলা যাবে না। 

জে/এইচ

Link copied!