বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬

আজকে প্রকাশিত পত্রিকার প্রধান প্রধান শিরোনাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩, ২০২৬, ১১:০৩ এএম

আজকে প্রকাশিত পত্রিকার প্রধান প্রধান শিরোনাম

‍‍`পোশাকশ্রমিক-হকারদের মাঠে নামিয়ে আ‍‍`লীগের ভয়ঙ্কর ছক‍‍`

বাংলাদেশে পোশাক কারখানাগুলোয় তিন দিন ধরে অস্থিরতা, ৬৯০টির মতো কারখানা বন্ধের খবর এবং এই অস্থিরতার পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইন্ধন দেখছে সরকার- এ ধরনের খবর আজ প্রায় সব পত্রিকার প্রথম পাতায় জায়গা পেয়েছে।

‍‍`পোশাকশ্রমিক-হকারদের মাঠে নামিয়ে আ‍‍`লীগের ভয়ঙ্কর ছক‍‍` নয়াদিগন্তের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, ডিসেম্বর ঘিরে নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীদের নভেম্বর মাসজুড়ে সংঘাত-সহিংসতার পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট তথ্য সরকারের কাছে দেওয়ার পরও তেমন প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।

পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে সীমান্তের ওপারে কলকাতায় বসে নাশকতার ছক তৈরি করার বিষয়েও সরকারের কাছে স্পষ্ট তথ্য ছিল।

এরপরও আগাম প্রস্তুতি না থাকায় গত রোববার থেকে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে শুরু হওয়া পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন রাজধানীর মিরপুর, সাভার-আশুলিয়া ও গাজীপুরে সহিংস রূপ নেয়।

সাধারণ শ্রমিকদের ব্যবহার করতে আন্দোলনে ঢুকে পড়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটির নেতাকর্মীরা। এর নেপথ্যে শক্তি ও অর্থের জোগানদাতা খোদ শিল্পমালিকরা।

গাজীপুর অঞ্চলে শিল্প কারখানার ২৬৭ জন মালিক আওয়ামীপন্থী হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পরও সরকারের পক্ষ থেকে জোরালো কোনো ভূমিকা না থাকায় বর্তমানে খেসারত দিতে হচ্ছে।

গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য রয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী, এমপিসহ প্রভাবশালী নেতারা বিদেশে বসে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছেন।

অনেকেই কলকাতায় বসে নাশকতার ছক আঁটছেন। দলটির প্রভাবশালী নেতারা নাশকতার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করে উসকানি দিচ্ছেন পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোতে বসে।

‍‍`রাজধানীর খোলাবাজারের চাল ও চিড়ায় মিলেছে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী আফলাটক্সিনের উপস্থিতি‍‍` বণিক বার্তার শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানী ঢাকার খোলাবাজার ও সুপারশপ থেকে সংগ্রহ করা চাল ও চিড়ার নমুনায় লিভার ক্যান্সার সৃষ্টিকারী আফলাটক্সিন রাসায়নিকের উপস্থিতি পেয়েছেন গবেষকরা। গবেষণায় চালের ২৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ ও চিড়ার ৫৫ শতাংশ নমুনায় এ বিষাক্ত উপাদান শনাক্ত হয়েছে।

‍‍`বাংলাদেশের খুচরা বাজারে বিক্রি হওয়া চাল ও চালজাত পণ্যে আফলাটক্সিনের উপস্থিতি: খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে আফলাটক্সিনের সংস্পর্শ এবং সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকির মূল্যায়ন‍‍` শীর্ষক গবেষণাটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‍‍`টক্সিকোলজি রিপোর্টস‍‍`-এ প্রকাশিত হয়েছে।

আফলাটক্সিন মূলত নির্দিষ্ট কিছু ছত্রাক দ্বারা উৎপাদিত প্রাকৃতিক ও বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ। গরম ও আর্দ্র পরিবেশে ঠিকমতো না শুকানো বা সংরক্ষণ না করা খাদ্যশস্যে এ ছত্রাক জন্মায়। আফলাটক্সিনের দীর্ঘমেয়াদি বিষক্রিয়া লিভার সিরোসিস, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়া এবং লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করে।

নমুনাগুলোতে আফলাটক্সিনের মাত্রা নির্ধারিত আন্তর্জাতিক সর্বোচ্চ সীমার নিচে ছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ মাত্রা তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি না করলেও দীর্ঘদিন নিয়মিতভাবে গ্রহণ করলে স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।

নমুনায় আফলাটক্সিনের মাত্রা নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমার নিচে থাকলেও নিয়মিত ও দীর্ঘমেয়াদে এসব খাদ্য গ্রহণে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি কতটা হতে পারে, তা আলাদাভাবে মূল্যায়ন করেছেন গবেষকরা।

‍‍`চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ব্যবসা বাড়ছে, মজুরিতে পিছিয়ে বাংলাদেশ‍‍` প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, একের পর এক সংকট সামলেও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়ছে। শুধু ব্যবসা বৃদ্ধি নয়, সরকারের সহায়তা পাওয়ার দিক থেকেও তৈরি পোশাকশিল্প অন্যান্য খাতের চেয়ে এগিয়ে আছে।

তবে প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরিতে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।

চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাওয়া শ্রমিকেরা মজুরি বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের শীর্ষ ক্রেতা সুইডেনভিত্তিক এইচঅ্যান্ডএম গ্রুপের গত মার্চের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চীন, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, ভারত ও তুরস্ক-এই সাত দেশেই পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বাংলাদেশের চেয়ে বেশি।

দেশের ট্যানারি, জাহাজভাঙা, স মিল এবং নির্মাণ-এই চার খাতে ন্যূনতম মজুরি পোশাকশিল্পের চেয়ে বেশি। শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে গত রোববার নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে শ্রম মন্ত্রণালয়। এরপরও বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।

শ্রমিকনেতারা বলছেন, আগে বোর্ড গঠন করে মজুরি নির্ধারণের কাজ এগিয়ে নিলে এই অস্থিরতা এড়ানো যেত। অন্যদিকে মালিকপক্ষ বলছে, শ্রমিকের কম উৎপাদনশীলতা, কম দামের পোশাক এবং পোশাক তৈরিতে কম মুনাফা হওয়ায় শ্রমিকদের বেতন তুলনামূলক কম।
‍‍`সিসিটিভিতে তিন সন্দেহভাজন নারী, রিমান্ডে যে তথ্য দিলো দীপ-তিশা‍‍` মানবজমিনের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, বিমান বাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় রিমান্ডে থাকা তাহসিফের জুনিয়র বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপ ও বান্ধবী জেরিকা তাসনীম দিশার বক্তব্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য ওঠে এসেছে।

একই সঙ্গে টঙ্গী মাজার বস্তির তুরাগ তীরের মাঠের এক সিসি ক্যামেরায় সন্দেহভাজন তিন নারীর উপস্থিতি দেখা গেছে। ওই রাতে ওই নারীদের সঙ্গেও তাহসিফের দেখা হয়েছিল। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওই রাতে তাহসিফের সঙ্গে ঠিক কি হয়েছিল তার অনেকটাই জানেন ওই তিন নারী। তাদের আইনের আওতায় আনলে প্রকৃত রহস্য উন্মোচন হতে পারে।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ২৭শে অক্টোবর নিখোঁজের আগে রাত ১টার দিকে টঙ্গী মাজার বস্তির দোকানের সামনে তাহসিফ ও দীপ রাস্তায় মোটরসাইকেল পার্ক করে বস্তির একটি গলির মধ্যে দিয়ে তুরাগ তীরের মাঠের দিকে যাচ্ছে। ওই সময়ে তিন মহিলা তাদের যেতে নিষেধ করছেন।

বলছেন-এই তোমরা চলে যাও। ওইদিকে যাইয়ো না। রেইড চলে। তবে তখন তাহসিফ ইংরেজিতে দীপকে বলছেন, ‍‍`ডোন্ট টক টু মাচ, জাস্ট ওয়াক‍‍`। তখন ওই নারীদের পাশ থেকে কয়েকজন পুরুষ বলে- যাক, গিয়ে বারি (মাইর) খেয়ে আসুক।

আরেকটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তাহসিফ মাঠের মধ্যে এক নারীর সঙ্গে দাঁড়িয়ে কথা বলছেন। তখনো তাহসিফ স্থির হয়ে দাঁড়াতে পারছিলেন না। এক পর্যায়ে ওই মহিলার সঙ্গে উচ্চস্বরে কথা বলেন তাহসিফ।

‍‍`বিমানের টিকিটের দাম ও একা ফ্লাইট বিলম্ব নিয়ে প্রশ্ন‍‍` আজকের পত্রিকার শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের টিকিটের দাম বেশি কেন, তা জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি। আবার অনলাইনে টিকিট না পাওয়া সত্ত্বেও ফ্লাইটে আসন ফাঁকা কেন থাকে এবং ফ্লাইট কেন বিলম্ব হয়, সেসব প্রশ্নও উঠেছে কমিটির বৈঠকে।

জাতীয় সংসদে গতকাল সোমবার সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত কমিটির বৈঠক হয়। বৈঠকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পরিচালন কার্যক্রম ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজে বারবার ত্রুটি ও বিমানের ৭৩৬ কোটি টাকার অডিট আপত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কমিটি।

আর চেক-ইন কাউন্টার ও বোর্ডিং গেটের সংকট, ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনায় সীমাবদ্ধতা এবং স্থায়ী ইউএলডি ইয়ার্ড না থাকাকে ফ্লাইট বিলম্বের কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে বিমানের উপস্থাপন করা প্রতিবেদনে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈঠকে কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, কুয়ালালামপুর থেকে ম্যানিলার দূরত্বের সঙ্গে ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরের দূরত্ব প্রায় সমান। অথচ ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটের টিকিটের দাম কুয়ালালামপুর-ম্যানিলা রুটের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি। এই তারতম্যের কারণ এবং ভাড়া নির্ধারণে কোনো নীতিমালা রয়েছে কি না, তা জানতে চায় কমিটি।

‍‍`প্রাণিজ পণ্য রপ্তানিতে বড় লাফ, আয় বেড়েছে ৩ গুণ‍‍` সমকালের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি প্রাণিজ পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে। দুধ, মাংস ও ডিম উৎপাদন ও বাড়ার সঙ্গে রপ্তানিমুখী এ খাতের আয়ও বেড়েছে। ২০২৬ সালের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ছয় মাসে এ প্রাণিজ পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭২৭ ডলার। আগের ছয় মাসের তুলনায় আয় বেড়েছে ২১৭ দশমিক ২০ শতাংশ।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছয় মাসে প্রাণিজ পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ৩২ লাখ ৯৮ হাজার ৬৬২ ডলার।

পরবর্তী ছয় মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭২৭ ডলারে। অর্থাৎ ছয় মাসের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৭১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৫ ডলার।

মাসভিত্তিক হিসাবেও রপ্তানি আয়ের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২৬ সালের মার্চে আয় হয়েছিল ৬ লাখ ৭৮ হাজার ১২৯ ডলার। এপ্রিলে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৯০৩ ডলারে।

মে মাসে আয় কিছুটা কমে ৭ লাখ ৫০ হাজার ৮০৮ ডলার হলেও জুনে তা বেড়ে হয় ১১ লাখ ৯৮ হাজার ৭৭৮ ডলার। জুলাইয়ে আয় হয় ১৯ লাখ ৫ হাজার ১৪ ডলার। অগাস্টে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮ লাখ ৮২ হাজার ৯৫ ডলারে। শুধু আগস্ট মাসের রপ্তানি আয় আগের ছয় মাসের সম্মিলিত আয়ের চেয়েও বেশি।

‍‍`বদলে যাচ্ছে সম্পত্তির বাজার মূল্য নির্ধারণ কমিটি‍‍` যুগান্তরের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, এবার বদলে যাচ্ছে সম্পত্তির বাজারমূল্য নির্ধারণ কমিটি। জেলা রেজিস্ট্রারের পরিবর্তে এবার মৌজাভিত্তিক সম্পত্তির বাজারমূল্য নির্ধারণ করবে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বাধীন কমিটি।

প্রস্তাবিত সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী বাজারমূল্য নির্ধারণে এবার তিন স্তরভিত্তিক এ কমিটি শিগগির কাজ শুরু করবে। বিধিমালায় বর্ণিত কিছু গাইডলাইন অনুসরণ করে এই কমিটি সম্পত্তির বাজারদর পুনর্নির্ধারণ করবে।

এতে মৌজাভিত্তিক সম্পত্তির নির্ধারিত মূল্য দুই বছরের পরিবর্তে তিন বছর বলবৎ থাকবে। তবে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে যৌক্তিক কারণ দেখিয়ে সরকার কোনো এলাকার সম্পত্তির মূল্য পুনর্নির্ধারণ করতে চাইলে তা পারবে।

সম্পত্তির বিদ্যমান বাজারমূল্যের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৩১শে ডিসেম্বর। ফলে এর আগেই নতুন কমিটিকে সব কাজ শেষ করতে হবে। এজন্য সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা মোতাবেক আইন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত বিধিমালার খসড়া ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করে নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শামীমা আফরোজার কাছে পাঠিয়েছে।

এখন শেষ মুহূর্তের পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ চলছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে গিগগির এ সংক্রান্ত সংশোধিত বিধিমালা জারি হতে পারে।

‍‍`গুচ্ছ ভর্তির অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ‍‍` কালের কণ্ঠের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনীহা, একের পর এক গুচ্ছ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া এবং বড় কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরু থেকেই বাইরে থাকার কারণে গুচ্ছ ভর্তি তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি; বরং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব ও নিজস্ব ভর্তি পদ্ধতির প্রতি আগ্রহ এই ব্যবস্থার ভবিষ্যেক অনিশ্চিত করে তুলেছে।

তবে গুচ্ছের পরিধি বাড়াতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তেমন কোনো উদ্যোগও দেখা যাচ্ছে না।

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ২০টি সাধারণ ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে জিএসটি গুচ্ছ ভর্তি পদ্ধতির যাত্রা শুরু হয়। পরের শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২২টিতে। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে সর্বোচ্চ ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয় এই গুচ্ছের আওতায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে। তবে এরপর থেকেই গুচ্ছে ভাঙন শুরু হয়।

আগামী ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় থাকছে বলে জানিয়েছে গুচ্ছসংক্রান্ত ভর্তি কমিটি। বর্তমানে ৫৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে। এর বাইরে আগামী শিক্ষাবর্ষে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

অভিভাবকরা জানিয়েছেন, গুচ্ছের কারণে শিক্ষার্থীদের অনেক ভোগান্তি ও অর্থ ব্যয় হয়। গুচ্ছের বাইরে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরীক্ষা এবং গুচ্ছের পরীক্ষার তারিখ কাছাকাছি হলে অনেক সময় সব পরীক্ষায় অংশ নেওয়াও সম্ভব হয় না।

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‍‍`Consumers squeezed again as BERC caves‍‍` অর্থাৎ ‍‍`বিইআরসির নতি স্বীকার, আবারও চাপে ভোক্তারা‍‍`।

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বাজারের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর চাপের মুখে নতি স্বীকার করে এলপিজির খুচরা মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে ভোক্তারা আরও বড় সংকটে পড়লেন। কারণ তারা এমনিতেই সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে এলপিজি কিনছেন।

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত মূল্য মেনে চলছে কি না তা নিশ্চিত করার পরিবর্তে গতকাল নভেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের সরকারি মূল্য ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি।

ফলে প্রথমবারের মতো এলপিজির আনুষ্ঠানিক খুচরা মূল্য ২০০০ টাকা ছাড়িয়ে গেল। তবে মার্চ মাস থেকেই মানুষ ১২ কেজি এলপিজির জন্য ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা পর্যন্ত দাম দিয়ে আসছেন।

সেপ্টেম্বর মাস থেকে ‍‍`দ্য ডেইলি স্টার‍‍` বাজারের পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এসব প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ১২ কেজির সিলিন্ডার ১,৯০০ থেকে ২,৫০০ টাকা মূল্যে বিক্রি হচ্ছিল। অথচ সেই সময়ে সরকারি নির্ধারিত দর ছিল ১,৫৮৫ থেকে ১,৮৩৭ টাকার মধ্যে।

সর্বশেষ সমন্বয়ের ফলে মাত্র দুই মাসে এলপিজির সরকারি মূল্য ৪৭৫ টাকা বা প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে। এ ঘটনা বিইআরসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, বিশেষ করে সংস্থাটি এলপিজি ব্যবসাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে নাকি ভোক্তাদের সুরক্ষা দিচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

নিউ এইজের শিরোনাম ‍‍`Shootings become routine in Khulna, 75 murders this year‍‍` অর্থাৎ ‍‍`খুলনায় গোলাগুলির ঘটনা নিয়মিত হয়ে দাঁড়িয়েছে, এ বছর ৭৫টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা‍‍`।

খবরে বলা হচ্ছে, খুলনায় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে সহিংসতা ও প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়ে গেছে। চলতি বছরে অন্তত ৭৫ জন খুন হয়েছেন। এছাড়া গোলাগুলির ঘটনা প্রায় নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ছিনতাই, পুরোনো শত্রুতা এবং অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যকার সংঘাতই মূলত এসব হত্যাকাণ্ডের কারণ।

সোমবার খুলনার রূপসা উপজেলার আত্রাবাঁকী নদী থেকে গুলিবিদ্ধ দুটি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন—রাজাপুর গ্রামের মো. সোহাগ (৩৫) এবং সিংগারচর গ্রামের রেজাউল করিম (৩২)। রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ নিয়ে শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে জেলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। রোববার সন্ধ্যায় খুলনার রায়েরমহল এলাকায় নিজের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে তাতী দলের খুলনা মহানগর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ হুমায়ুন কবিরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় নগরীর লবণচরা এলাকা থেকে শহিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির রক্তমাখা মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১লা জানুয়ারি থেকে ২রা নভেম্বরের মধ্যে খুলনা শহর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অন্তত ৭৫ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়, আর অন্যদের কুপিয়ে বা পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

 

জেএইচ

Link copied!