`আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ: সাবেক মন্ত্রী, এমপিসহ ২০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ হচ্ছে`
সমকালের প্রথম পাতার খবর— আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ: সাবেক মন্ত্রী, এমপিসহ ২০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ হচ্ছে।
এই খবরে বলা হয়েছে, মজুরি বাড়ানোর দাবিতে চলমান তৈরি পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়ন ও জনবল দিয়ে সহায়তা করার গোয়েন্দা তথ্য ধরে অন্তত ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হচ্ছে।
এরই মধ্যে সব ব্যাংকে নির্দেশনা পাঠিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
এ তালিকায় দেশের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকটি শিল্প গ্রুপের মালিক, সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং রাজনৈতিক কর্মীও আছেন। এদের বেশির ভাগ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বা আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী ছিল।
রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ১২টি গ্রুপের মালিক এ আন্দোলনে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড করার জন্য অর্থায়ন করছেন।
এ তালিকায় রয়েছেন টিপু মুনশি, সালমান এফ রহমান, সালাম মুর্শেদী, শাহরিয়ার আলম, নসরুল হামিদ বিপু, তাজুল ইসলাম, তুসুকা গ্রুপের ফয়জুর রহমান বাদল, ওয়েল গ্রুপের আবদুস ছালাম, নিপা গ্রুপের খসরু চৌধুরী, অ্যাক্সিস নিটওয়্যারস লিমিটেডের জাহিদ আহমেদ টুলু, স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের এ কে এম মোশাররফ হোসেন, গিভেন্সি গ্রুপের মাসুমা খাতুন লিপা।
এছাড়া, মিরপুর এলাকায় আন্দোলনে অর্থ জোগান দেওয়ার অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচি ও শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সহকারী জাহাঙ্গীর আলমের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও কিছু ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হচ্ছে।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান সংবাদ— Jan hike pledge fails to quell RMG unrest; অর্থাৎ জানুয়ারিতে বেতন বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতিতেও অস্থিরতা কাটেনি পোশাকখাতে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, নতুন ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের প্রথম বৈঠকের পর গতকাল বুধবার জানানো হয়েছে, পোশাকশ্রমিকরা সংশোধিত বেতন কাঠামো অনুযায়ী জানুয়ারি মাস থেকে বর্ধিত বেতন পাবেন।
ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী জানিয়েছেন, তাদের পরবর্তী বৈঠকে শ্রমিক, কারখানার মালিকপক্ষ এবং অন্যান্য সংগঠনের পক্ষ থেকে আসা বেতন সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলো নিয়ে আলোচনা করবে মজুরি বোর্ড।
এছাড়া, মজুরি বোর্ডে শ্রমিকদের প্রতিনিধি বাবুল আক্তার শ্রমিকদের নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিপরীতে, গতকাল শ্রমিকদের বিক্ষোভ টানা পঞ্চম দিনে গড়িয়েছে। এদিন গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও সাভারে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।
সাভারে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো অবরুদ্ধ করে ফেলে।
এর ফলে গাজীপুর ও সাভার এলাকায় ১০০টিরও বেশি কারখানায় কার্যক্রম স্থগিত করতে হয়েছে এবং ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
গতকাল সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ দাবি করেন, সাধারণ শ্রমিকদের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হচ্ছে।
অপরাধী চক্রগুলোকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছেন তিনি। এর পাশাপাশি শ্রমিকদের গুজবে কান না দিয়ে কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।
প্রথম আলোর প্রধান সংবাদ— কংগ্রেস হাতছাড়া, বড় ধাক্কা খেলেন ট্রাম্প।
খবরটিতে বলা হয়েছে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেট ও নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ হাতছাড়া হলো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির।
ট্রাম্প ও তার ঘনিষ্ঠদের বিদ্বেষ ছড়ানো, বিভেদ সৃষ্টিসহ নানা অপকৌশলের পরও ডেমোক্রেটিক পার্টির পক্ষে রায় দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ।
ডেমোক্র্যাটদের এই জয়ের মধ্য দিয়ে পরিষ্কার হলো, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ দুই বছর সহজ হবে না ট্রাম্পের জন্য।
ইরান যুদ্ধ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, শুল্কনীতি, দুর্নীতির অভিযোগসহ নানা বিষয় ঘিরে জন-অসন্তোষ যে এই মূল্যায়নে বড় প্রভাব ফেলবে, তা বিভিন্ন জরিপকারী প্রতিষ্ঠান ও বিশ্লেষকেরা আগে থেকেই বলে আসছিলেন।
নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আগামী জানুয়ারিতে শপথ নেবেন। এরপর প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট সদস্যরা চাইলে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে পারবেন। তদন্তের আওতায় পড়তে পারে ট্রাম্পের পরিবার ও মিত্ররাও। আর আইন প্রণয়নে বাধা তো আছেই।
অন্যদিকে, সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ফলে ট্রাম্পের বিভিন্ন নিয়োগে বাধা দিতে পারবেন ডেমোক্র্যাটরা। মোটকথা, আইন পাস কিংবা কংগ্রেসের অনুমোদনে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য।
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— রিপাবলিকানদের হারে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের ১০% দরপতন।
এই খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বড় হারের পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে ব্যাপক পতন ঘটেছে।
গতকাল বুধবার ফিউচার মার্কেটে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের প্রধান দুই সূচক ব্রেন্ট ক্রুড ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম প্রায় ৮-১০ শতাংশ কমেছে।
জ্বালানি তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে স্পট মার্কেটেও।
নির্বাচনে মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ায় ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়বে বলে মনে করছেন বিনিয়োগকারীরা। এর প্রভাবেই মূলত জ্বালানি তেলের বাজারে বড় দরপতন ঘটেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামী দিনগুলোয় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।
এদিকে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয়ের পর ইরানে নতুন করে সামরিক হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে আসতে পারেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
একই সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক উদ্যোগের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশা বাড়ছে।
নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Pvt hospitals, clinics get free reign over test fees for lack of regulation; অর্থাৎ বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক নিয়ন্ত্রণের অভাবে পরীক্ষার ফি নির্ধারণে অবাধ স্বাধীনতা।
খবরটিতে বলা হয়েছে, সারাদেশের বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো চিকিৎসাসংক্রান্ত পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত চড়া ফি আদায় করছে, যা অনেক মানুষকে অর্থনৈতিক চাপের মুখে ফেলে আরও দুর্দশাগ্রস্ত করে তুলছে।
কখনও কখনও এই ফি সরকারি হাসপাতালের তুলনায় নয় গুণ পর্যন্ত বেশি হয়ে থাকে।
এই পরিস্থিতিকে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের এক ধরনের `জোরপূর্বক আদায়` বা চাঁদাবাজির সঙ্গে তুলনা করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
এছাড়া, রোগীদের প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়ে মুনাফা অর্জন করার মতো ঘটনা তো আছেই।
অথচ, ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার ফি নিয়ন্ত্রণ বা নির্ধারণের জন্য সরকারের কোনো সুনির্দিষ্ট ও অভিন্ন নীতিমালা নেই।
হাসপাতালের মালিকরা সাধারণত সরঞ্জাম, সেবার মান ও পরিচালন ব্যয়ের পার্থক্যের দোহাই দিয়ে উচ্চ ফি নির্ধারণের পক্ষে যুক্তি দেন। যা স্বাস্থ্য পরীক্ষার ক্ষেত্রে সরকারি তদারকি ও মান নির্ধারণী ব্যবস্থার বড় ধরনের ঘাটতিকেই সামনে নিয়ে আসে।
বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন, একই পরীক্ষার ক্ষেত্রে ফি-এর এত বড় ব্যবধান কি আদৌ যৌক্তিক? বিশেষ করে যখন বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিজেদের মধ্যেই ফি-এর ক্ষেত্রে বিশাল পার্থক্য দেখা যায়।
যদিও কিছু বিশেষজ্ঞ পরীক্ষার জন্য অভিন্ন ফি নির্ধারণের প্রস্তাবের সঙ্গে একমত নন, তবুও তারা সবাই মনে করেন যে, ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর সেবা ও মান অনুযায়ী আলাদা আলাদা ফি নির্ধারণের মাধ্যমে একটি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।
ডেইল টাইমস অব বাংলাদেশের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— Leaders, workers at odds: RMG unions` influence on the ground put to the test; অর্থাৎ কর্মীদের সাথে মতপার্থক্যে পোশাকখাতে শ্রমিক সংগঠনের কর্তৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন।
খবরটিতে বলা হয়েছে, তৈরি পোশাকখাতের শ্রমিকদের প্রতিনিধি হিসেবে রাজধানী ঢাকায় যেসব সংগঠনের নেতারা কথা বলেন বা সরকারের সঙ্গে দেন-দরবারে অংশ নেন, শ্রমিকদের ওপর তাদের প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
আন্দোলন শুরু বা বন্ধে তাদের ঘোষণা বা নির্দেশনার প্রতিফলন না ঘটায় এসব সংগঠন মূলত কী উদ্দেশ্যে কারা পরিচালনা করছেন, তা নিয়ে বছরের পর বছর ধরেই চলে আলোচনা।
এবার নূন্যতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকরা ঢাকার মিরপুরের পাশাপাশি সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখাচ্ছে।
এরই মধ্যে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পাশাপাশি সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস কারখানা মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের বেশ কয়েকজন প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
বৈঠকে শ্রমিক প্রতিনিধিরা আন্দোলন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরিস্থিতি শান্ত হচ্ছে না।
বাংলাদেশের পোশাকশ্রমিকদের নিয়ে গবেষণা করা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক মো. ইসমাইল হোসেন বলেছেন, `আমাদের দেশের যে শ্রমিক সংগঠনগুলো আছে এগুলো আসলে শ্রমিকদের জন্য হয়ে উঠতে পারেনি। এদের অধিকাংশই কারও না কারও দ্বারা প্রভাবিত। ফলে সাধারণ শ্রমিকদের এদের ওপর যে আস্থা সেই আস্থাটা তৈরি হয়নি।`
কালের কণ্ঠের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম— বিক্ষোভ ঠেকাতে সতর্ক পুলিশ।
এই খবরে বলা হয়েছে, ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করাসহ তিন দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের যে আন্দোলন চলছে, এতে গতকাল বুধবার রাজধানীর মিরপুর তুলনামূলক শান্ত থাকলেও গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জে মহাসড়ক অবরোধ, নিহত শ্রমিক স্মরণে গায়েবানা জানাজা পণ্ড, পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ, পুলিশের টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ, মুখোশ ও হেলমেট পরে কারখানায় হামলা-ভাঙচুর এবং পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
এর মধ্যে শ্রমিকদের আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে রাখতে গতকাল ১০ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয় মিরপুর এলাকায়। এ অবস্থায় গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানকার পরিস্থিতি ছিল স্বাভাবিক।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার মহিদুল ইসলাম বলেন, কোনো নিরপরাধ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।
আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর— বিইআরসির দাম এখনো কাগজে, বাড়তি দামেই কিনছেন ক্রেতা।
এই খবরে বলা হয়েছে, সিলিন্ডারজাত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম টানা দুই মাসে দুই দফা বাড়ালেও বাজারে শৃঙ্খলা আসেনি।
দাম নির্ধারণকারী সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) বেঁধে দেওয়া দাম মানছেন না বিভিন্ন পর্যায়ের বিক্রেতারা।
যার ফলে গ্রাহককে বাধ্য হয়ে বিক্রেতাদের চাওয়া দামেই এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে।
বিইআরসি বলেছে , তিনটি কোম্পানির বেশি দামে সিলিন্ডারজাত এলপি গ্যাস বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী— নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সাথে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পৌঁছে দেন লিউ হাইশিং। জবাবে প্রধানমন্ত্রীও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও দেশটির প্রিমিয়ার (প্রধানমন্ত্রী) লি ছিয়াংকে শুভেচ্ছা জানান।
লিউ হাইশিং বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরের সময় দুই দেশের ভবিষ্যৎ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি নতুন যুগের যৌথ ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সেই ঘোষণার আলোকে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরো সম্প্রসারিত হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।
