সাজেকে সড়ক অবরোধকারীদের সাথে আলোচনা ফলপ্রসূ হযেছে। অচিরে অনিদিষ্টকালের অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সর্ম্পকিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া।
সোমবার সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসে প্রেস বিফ্রিংয়ে এতথ্য জানান তিনি। এসময় তিনি বলেন," অবরোধকারীদের ৫ দফার মধ্যে চারটি মীমাংসার বিষয়ে দুই পক্ষে সমঝোতায় হয়েছে।সাজেক থেকে জেএসএস সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া নিয়ে পুনরায় কয়েকদিনের মধ্যে আলোচনা হবে জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে বিকেল ৩টা থেকে সাজেকের অচলাবস্থা নিরসনে সাজেকের গঙ্গারামমুখের উজোবাজারে অবরোধকারীদের সাথে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সন্ধ্যায় পৌনে ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বৈঠকে ওয়াদুদ ভূইয়া এমপির নেতৃত্বে অবরোধকারীদের ৪ সদস্য বৈঠকে অংশ নেন। অবরোধকারীদের পক্ষে বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করেন সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির বাবুধন চাকমা, জিকু চাকমা, কার্বারী এসোসিয়েশনের নতুন জয় চামা ও ছাত্র জনতার সংগ্রাম পরিষদের ঊষাতন চাকমা অংশ নেন।বৈঠকে অবরোধকারীরা প্রতিনিধি দলের হাতে ৫ দফা লিখিত দাবি উত্থাপন করেন।
বৈঠকে সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী ও রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান,খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপাররা উপস্থিত ছিলেন
প্রসঙ্গ,দুই আঞ্চলিক সংগঠনের অন্তদন্দে ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধে রাঙামাটির সীমান্তঘেঁষা জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র সাজেকে মারাত্মক মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকায় একদিকে স্থবির হয়ে পড়েছে সার্বিক পর্যটন খাত, অন্যদিকে সাজেক ইউনিয়নের বেশ কিছু দুর্গম গ্রামে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যের পাশাপাশি দেখা দিয়েছে তীব্র ওষুধ সংকট। সাজেক অবরোধের প্রভাব পড়েছে খাগড়াছড়িতে। হাজারো পর্যটন নির্ভর হোটেল মালিক,যানবাহন মালিক,শ্রমিক বেকার অবস্থায় মানবেতর জীবন পার করছে।
