ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচাইতে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে। হিন্দু ধর্মালম্বীরা যাতে নির্বিঘ্নে নিজের উৎসব সুষ্ঠ ও উৎসবমুখরভাবে উদযাপন করতে পারে তার সব ব্যবস্থা সরকার গ্রহণ করেছে।
বৃহস্পতিবার রাতে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির পূজামণ্ডপের সভাপতিদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, রাজশাহী আমাদের সবার প্রিয় শহর। এই শহরে আগে থেকেই মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে। আমি সবাইকে শারদিয় শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আপনারা যে দাবিগুলো করেছেন তা বাস্তবায়ন করা হবে। আপনারা যাতে ভালোভাবে পূজা উদযাপন করতে পারেন সেই ব্যাপারে সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বাগমারা থেকে পূজা উদযাপন শুরু হয়েছিল। তারপর বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সাহায্য সহযোগীতা করা হচ্ছে। আপনাদের বাড়ির পাশের কোনো
গরীব অসহায় ছেলে মেয়ে যেন খাবার ও অথবা নতুন পোশাকের জন্য কষ্ট না পায় সেই বিষয়গুলো অবশ্যই দেখবেন। সবাই মিলেমিশে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিবেন।
সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপন করার জন্য আহবান জানাচ্ছি। কেউ কেউ বিশৃঙ্খলা করতে পারে সেদিকে নজর রাখবেন। কাউকেউ কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা করতে দেওয়া হবে না। পুলিশ প্রশাসনসহ সবাই আপনাদের পাশে রয়েছে। আমরা আপনাদের সাথে আছি।
রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও আরও বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী-৩ আসনের এমপি এড. শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী রেঞ্জ মো. আশিক সাঈদ, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির পিপিএম, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক এড. এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট, রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান, রাজশাহীর পুলিশ সুপার মো. মামুনুর রশীদ।
এছাড়াও সভায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন পুজামন্ডপের সভাপতি-সম্পাদকবৃন্দ। সভায় তারা পূজা উদযাপন করতে গিয়ে বিভিন্ন ও সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরেন।
