নোয়াখালী চৌমুহনীতে যানজট নিরসন ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে গড়ে তোলা হয়েছিল জাতীয় হকার্স মার্কেট। প্রায় ৮ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এই মার্কেটটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে যাত্রা শুরু করে। দীর্ঘ চার দশক পেরিয়ে গেলেও মার্কেটের প্রধান সড়ক, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও অবকাঠামোর উন্নয়ন হয়নি, বেহাল দশায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। এতে হুমকির মুখে পড়েছে হাজারো মানুষের জীবিকা। দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
যানজট নিরসন বেকার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল জাতীয় হকার্স মার্কেটের। প্রায় ১১ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা এই মার্কেটে বর্তমানে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রায় তিন হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
প্রতিদিন এখানে লাখ লাখ টাকার লেনদেন হয়। ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষের জীবিকা।
কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে মার্কেটের প্রধান সড়ক ও অভ্যন্তরীণ রাস্তাগুলোতে তৈরি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ। কোথাও কোথাও রাস্তার অবস্থা এতটাই খারাপ যে, দেখে মনে হয় চাষের জমি। সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচলে সৃষ্টি হয় দুর্ভোগ। এতে ক্রেতাদের যাতায়াত কমে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ও পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব। লোকসান ব্যাংক দায় দেনা হয়ে অনেক ব্যবসা ছেড়ে চলে যাচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ব্যাংকঋণের কিস্তি, পৌরসভার কর ও ট্রেড লাইসেন্সের ফি নিয়মিত পরিশোধ করেও তাঁরা কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সুবিধা পাচ্ছেন না। একদিকে ব্যবসার লোকসান, অন্যদিকে ঋণের চাপ—সব মিলিয়ে অনেক ব্যবসায়ী চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
দ্রুত সড়ক সংস্কার, কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং মার্কেটের সার্বিক উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী, দোকানমালিক, শ্রমিক, খুচরা বিক্রেতা ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
ব্যবসায়ীদের এসব অভিযোগের বিষয়ে চৌহমুনী পৌরসভার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক জানান,মার্কেটের রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হবে। ইউজিএফ ও এডিবির আওতায় উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।
হর্কাস মালিক সমিতির সভাপতি হাজী আবুল কাশেম জানিয়েছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অধিষ্ঠিত থাকার কারণে বিগত ১৮-২০ বছর কোন ধরনের সংস্কার মূলক কাজ করা হয়নি দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত প্রধান সড়ক সংস্কারসহ জাতীয় হকার্স মার্কেটের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি জানান তিনি।
