খুলনা নগরীতে গুলিতে মো. তুষার (২৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নগরীর মিস্ত্রিপাড়া বাজারসংলগ্ন আনসার উদ্দিন লেন থেকে তাঁর গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় মরদেহের পাশে রেজিস্ট্রেশনবিহীন কালো রঙের একটি আর১৫ মোটরসাইকেল পাওয়া যায়। পুলিশের ভাষ্য, নিহত তুষার সন্ত্রাসী পলাশ গ্রুপের সদস্য ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র ও হত্যা মামলা রয়েছে।
নিহত তুষার খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানার জিন্নাপাড়া ৮ নম্বর গলির বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম আব্দুর রাজ্জাক।
খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লোকমান হোসেন বলেন, তুষারের বিরুদ্ধে অন্তত দুটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি অস্ত্র আইনে এবং অন্যটি হত্যা মামলা। তিনি পলাশ গ্রুপের সদস্য ছিলেন বলেও জানান ওসি।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, নগরীর পূর্ব বানিয়াখামারের লোহার গেট এলাকায় খাদিমুল উলুম মাদ্রাসার সামনে রক্তের দাগ দেখা গেছে। বিশ্বস্ত সূত্রের বরাতে পাওয়া তথ্যে দাবি করা হয়েছে, সেখানে ধস্তাধস্তি ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা দুজন পড়ে যান। পরে তুষার মোটরসাইকেল নিয়ে সেখান থেকে চলে আসেন।
ওই সূত্রের দাবি, আনসার উদ্দিন লেনের পূর্ব প্রান্তে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তুষারকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে তাঁর পিঠে গুলি লাগে। পরে মোটরসাইকেলসহ সড়কে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে খুলনা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহালসহ প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে।
তবে তুষারকে হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ কী, কারা এ ঘটনায় জড়িত এবং পূর্ব বানিয়াখামারের মাদ্রাসার সামনে ঘটে যাওয়া কথিত ধস্তাধস্তি ও ছুরিকাঘাতের ঘটনার সঙ্গে তাঁর হত্যাকাণ্ডের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত করছে।
